শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা ডামুড্যায় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জা‌জিরায় পাঁচটি ইট ভাটায় ছয় লাখ টাকা জরিমানা ও উচ্ছেদ ভারতের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে দায়িত্বশীল হতে হবে: স্পিকার তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ হলে সেবা পাবে আরও ১২ মিলিয়ন যাত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন ট্রাইব্যুনাল রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে দেশ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবে ৬০ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন: ড. কামাল-রীভা গাঙ্গুলির বৈঠক
৩৪৪

ঘূর্ণিঝড়ের সময় করণীয় আমল

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৯  


 
আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে নানাবিধ আপদ-বিপদ ও মুসিবত দিয়ে বান্দাকে পরীক্ষা করেন। অনেক সময় বান্দার গুনাহের শাস্তিস্বরূপ লঘু শাস্তি দিয়ে সতর্ক করা হয়। তবে এসব আসমানি বিপদ-আপদে হিফাজতে থাকার বিভিন্ন আমল কুরআন-হাদিসে এসেছে। 

মেঘের গর্জন বা বজ্রপাতের সময় পড়ার দুয়া :

اَللّٰهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بَغَضَبِكَ. وَ لَاتُهْلِكْنَا بَعَذَابِكَ. وَ عَافِنَا قَبْلَ ذٰلِكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা তাকতুল না বিগাদাবিকা, ওয়া লা তুহলিক না বিআযাবিকা, ওয়া আফি না কবলা যালিকা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি গজব দিয়ে আমাদের নিপাত করবেন না, আপনি আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করবেন না; তার আগেই আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন।

ঘূর্ণিঝড় ও ঝড়ো বাতাস প্রবাহের সময় পড়ার দুয়া : 

প্রবল ঝড়োহাওয়া প্রবাহের কালে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেন। কেননা মহান আল্লাহই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়দাতা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন, ‘তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। তবে যদি তোমরা একে তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেখতে পাও, তবে এ দোয়া করবে-

اَللَّهُمَّ اِنَّا نَسْئَالُكَ مِنْ خَيْرِ هَذِهِ الرِّيْحِ وَ خَيْرِ مَا فَيْهَا وَ خَيْرِمَا أُمِرَتْ بِهِ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّ هَذِهِ الرِّيْحِ وَ شَرِّ مَا فَيْهَا وَ شَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি হাজিহির রিহি ওয়া খাইরি মা ফিহা ওয়া খাইরি মা উমিরাত বিহি, ওয়া নাউযুবিকা মিন শাররি হাজিহির রিহি ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উমিরাত বিহি। 
অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট এ বাতাসের ভালো দিক, এতে যে কল্যাণ রয়েছে তা এবং যে উদ্দেশ্যে তা নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার উত্তম দিকটি প্রার্থনা করছি। আর তোমার নিকট এর খারাপ দিক হতে, এতে যে অকল্যাণ রয়েছে তা হতে এবং এটা যে উদ্দেশ্যে আদেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে, তার মন্দ দিক হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

বেশি বেশি ইস্তিগফার করা : 

যেহেতু মানুষের পাপাচারের ফলে আল্লাহ তায়ালা ঘূর্ণিঝড়, তুফানের মতো শাস্তি দিয়ে থাকেন সুতরাং এমতাবস্থায় আমাদের উচিত গুনাহ থেকে তাওবা করা। আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া। বিশেষ করে একটি হাদিসে এসেছে যে, যখন কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর আইনের পরিবর্তে মানবরচিত আইন-কানুন দিয়ে রাষ্ট্র-সমাজ পরিচালনা করে, তখন আল্লাহ তায়ালা এ ধরনের আজাব-গজব বান্দার ওপর চাপিয়ে দেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

«ما حكم قوم بغير ما أنزل الله إلا وقع بأسهم بينهم»

‘কোনো সম্প্রদায় যখন আল্লাহর নাযিলকৃত বিধানের পরিবর্তে অন্য কোনো বিধান দিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করে, আল্লাহ তায়ালা তখন তাদেরকে দুর্যোগ, বিপদাপদে পাকড়াও করেন।’
[বাইহাকি, আসসুনান; আলবানি রহ. সহিহ বলেছেন : আততারগিব ওয়াত তারহিব : ১/৩২১]

এই বিভাগের আরো খবর