• মঙ্গলবার   ২০ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৫ ১৪২৭

  • || ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শরীয়তপুর বার্তা
৩৮

জাতিসংঘে ভারত-পাকিস্তান বাগযুদ্ধ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০  

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে শুক্রবার কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারত ও নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতও কড়া জবাব দিয়েছে।

ইমরান তার ভাষণে সংখ্যালঘুদের প্রতি ভারতের আচরণ, জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদার পরিবর্তন এবং সেখানে ভারতীয় সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। কাশ্মীর নিয়ে দুই পরামণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকপ্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক মহলকে ভাবতে হবে তারা ১৩০ কোটি মানুষের বাজারকে তোষণ করবেন, নাকি নিরীহ নিরপরাধ নাগরিকদের পাশে থাকবে। দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশ যদি যুদ্ধ করে তার প্রভাব গোটা বিশ্বেই পড়বে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম উল্লেখ করে ইমরান বলেন, ‘‘মোদি আজীবন আরএসএসের সদস্য। আরএসএস হিটলার-মুসোলিনির আদর্শে অনুপ্রাণিত। এটি ভারত থেকে মুসলমানদের মুছে ফেলার ‘জাতি শোধন’ তত্ত্বে বিশ্বাসী। এই ঘৃণার মানসিকতাই গান্ধিকে খুন করেছিল। এই আদর্শেই ২০০২ সালে নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে গুজরাটে দাঙ্গা বাঁধিয়েছিলেন।’’

ইমরানের খানের এই ভাষণের কঠোর সমালোচনা করেছে ভারত। পাকপ্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরপরই জাতিসংঘে ভারতে কূটনীতিক বিদিশা মৈত্র বলেন, ‘ইমরান খানের বক্তব্য উস্কানিমূলক ও পুরোপুরি মিথ্যা।’

তিনি বলেন, ‘‘একবিংশ শতাব্দীতে এসে ‘গণহত্যা’ ‘জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব’ ‘আমৃত্যু লড়াই’ এ ধরনের শব্দ ব্যবহার মধ্যযুগীয় মানসকিতার বহি:প্রকাশ।’’

বিদিশা মৈত্র বলেন, ‘এটা হচ্ছে সেই দেশ যেটি রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের অবসরভাতা দেয়। আজকে আমরা যেই নেতার ভাষণ শুনছি সেই একই ব্যক্তি জুলাইয়ে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ওসামা বিন লাদেনকে শহীদ আখ্যা দিয়েছিলেন।’

আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর