• বুধবার   ১৪ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ১ ১৪২৮

  • || ০৩ রমজান ১৪৪২

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
একদিনে করোনায় ৬৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০২৮ শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করাটাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু কূটনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার হবে প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় একাত্তরের ১০ এপ্রিল ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে হবে:প্রধানমন্ত্রী করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ডি-৮ এর প্রতি প্রধানমন্ত্রী আহ্বান আজ বৈঠকে বসছেন ডি-৮ শীর্ষ নেতারা

ডামুড্যায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিরবাস্তবায়নে সেমিনার

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুরের ডামুড্যায় মুজিববর্ষ পালন উপলক্ষে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধি ভাতা এবং ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম সফল বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৯ ফেব্রুয়ারী ১১টার সময় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্তুজা আল মুঈদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডামুড্যা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন মাঝি। সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা খানম লাভলী সহ সেমিনারে জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ডামুড্যা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন মাঝি ডামুড্যা উপজেলাকে শতভাগ বয়স্ক বিধবা ভাতার আওতায় অন্তর্ভূক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ২০১১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সামাজিক নিরাপত্তা শীর্ষক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে সরকার বাংলাদেশের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ে একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়নের ঘোষণা দেয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত সরকারি ইস্তেহারে বলা হয় সামাজিক নিরাপত্তায় বর্তমানে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যে বরাদ্দ দেয়া হবে তার উত্তম ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেহেতু ব্যয় যুক্তিযুক্তকরণের সুযোগ পরিহার করার সামর্থ্য আমাদের দেশের নেই।

উক্ত সম্মেলনে সামাজিক নিরাপত্তার যেসব মুখ্য বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি দেয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয় তা হলো: সুবিধাভোগী চিহ্নিতকরণের উন্নয়ন, কর্মসূচির উত্তম নকশা প্রণয়ন ও অধিকতর কার্যকর পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা প্রণয়ন।

মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা ও উপকারভোগীদের আশা-আকাক্ষা ও প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতি রেখে কর্মসূচির নকশা প্রণয়ন নিশ্চিত করতে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়াকে জোরদারকরণ এবং বাস্তবায়ন বিষয়ে যথাযথ ও কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকৌশল প্রণয়ন। নিরাপত্তা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উপাদানকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ব্যাপকভিত্তিক ও বর্ধিত সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি দারিদ্র্য হ্রাসের জন্যও কার্যকর।

সরকারি ইস্তেহারে দু’স্তর বিশিষ্ট পদ্ধতির কথা বলা হয়: ফলপ্রসূ কর্মসূচিগুলোকে বর্ধিতকরণ এবং বিকাশমান ক্ষেত্রসমূহের (যেমন, শিশু পুষ্টি, নগর দারিদ্র্য ও আঞ্চলিক বৈষম্য) উদ্ভাবনীমূলক কর্মসূচিগুলোকে আরো সংহতকরণ। অকার্যকর ও ক্ষুদ্র কর্মসূচিগুলোকে বন্ধ করে দিয়ে বরং প্রয়োজনীয় এবং প্রধান প্রধান কর্মসূচিগুলোর একটি সুসঙ্গত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরি। জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১২ সালে সরকার কর্তৃক গৃহীত একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে। ২০১৩ সালে একটি ফ্রেমওয়ার্ক পেপার প্রস্তুত করা হয় যেখানে সামাজিক নিরাপত্তায় বিদ্যমান জ্ঞানের অভাব ও প্রধান করণীয় বিষয় চিহ্নিত করা হয়।