• বুধবার   ১২ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৯ ১৪২৮

  • || ৩০ রমজান ১৪৪২

শরীয়তপুর বার্তা

ভিন্ন রুপে বৈশাখ বরণ, ঘরেই উপভোগ করুন উৎসবের আনন্দ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০২১  

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাঙালির প্রতিটি ঘরে ঘরেই এই দিনটিকে উদযাপন করা হয়। যে যেভাবে পারেন এই দিনটি সেভাবেই সবাই পালন করেন। যদিও বর্ষবরণের রীতি প্রায় সব দেশেই রয়েছে। আমাদের দেশে এই উৎসব গ্রামকেন্দ্রিক হলেও, এখন শহরে এর আমেজ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

প্রতি বছর নারী, পুরুষ, শিশু সবাই নিজেদের সাজায় বৈশাখী সাজে। গতবারের মতো এবারো আর তা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। যা আমাদের দেশে আবারো মরণ থাবা বসিয়েছে। তাই ছোঁয়াচে এই রোগ থেকে বাঁচতে বাঙালিরা এক প্রকার ঘরবন্দী। তাই বলে যে বর্ষবরণ হবে না, তা কিন্তু নয়। বাইরে না বের হলেও ঘরে বসেই পালন করুন নববর্ষ। এমন পরিস্থিতিতে ঘরই নিরাপদ স্থান। সুস্থ থাকতে এবারের বৈশাখ বরণে একটু না হয় ভিন্নতা এলো, ঘরেই আনন্দে কাটুক সারাদিন। এদিন ঘরে কীভাবে বৈশাখ উদযাপন করবেন এ বিষয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত-

সকালেই ঘর সেজে উঠুক

ঘরটি পছন্দ অনুযায়ী সকাল বেলাতেই সাজিয়ে নিন। এতে করে বাড়িতে উৎসবের আমেজ আসবে। বিছানার চাদর পাল্টে নিন সঙ্গে পর্দাও বদল করুন। এতে করে ঘরে স্বস্তির ভাব আসবে।

 

বৈশাখে নিজের সঙ্গে সঙ্গে ঘরকেও রাঙিয়ে তুলুন।

বৈশাখে নিজের সঙ্গে সঙ্গে ঘরকেও রাঙিয়ে তুলুন।

পরিবারের জন্য সাজুন

ঘরে থাকায় যে সাজসজ্জা ভুলে যাবেন তা কিন্তু নয়। পছন্দের পোশাকটি পরে সেজে পরিবারের সবার সঙ্গে সময় কাটান। তারপর সবাই মিলে সারাদিন আড্ডা দিন, ছবি তুলুন কিংবা গল্প করুন। চাইলে সবাই মিলে পছন্দের সিনেমাও দেখতে পারেন। বিকেলে ছাদে উঠে চাইলে পিকনিকও করতে পারেন।

বড়দের সময় দিন

প্রতি পহেলা বৈশাখের দিনে তো সবাই কমবেশি বাইরে গিয়ে সময় কাটায়, এবার না হয় সেই সময়টুকু কাটুক পরিবারের সঙ্গে। বড় ও ছোটদের সঙ্গে গল্প করে কিংবা খুনসুটি করে দিব্যি কেটে যেতে পারে আনন্দের এই উৎসবটি।

পুরনো পোশাকটিই গায়ে জড়িয়ে রাখুন

এবার তো পহেলা বৈশাখের বাজারেও ধ্বস নেমেছে। কোথাও কোনো ক্রেতা নেই, এমনকি বেশিরভাগ মার্কেট ও দোকানগুলোও বন্ধ। কেউই এবার বৈশাখের জন্য কেনাকাটা করতে পারেনি। তাই বলে কি লাল-সাদা পোশাকে বৈশাখ বরণ করা হবে না। গত বছরের পোশাকটি তো রয়েছেই! সেটিই না হয় গায়ে তুলে নিন।

 

ঘরেই বৈশাখী সাজে সেলফি তুলুন।

ঘরেই বৈশাখী সাজে সেলফি তুলুন।

পছন্দের নানা পদ থাকুক পাতে

বাঙালি সবসময়ই ভোজনরসিক। পহেলা বৈশাখের দিনে খাবারে অদলবদল না এলে কি চলে! সকালে তো পান্তা ভাত আর ইলিশ মাছ, সারাদিন বাহারি মিষ্টির পদ থেকে শুরু করে খিচুড়ির সঙ্গে ভর্তা কিংবা পোলাও-কাচ্চি সবই চলে। পরিবারের সবার সঙ্গে মিলে রান্না করুন বাহারি পদ। এরপর সবাই মিলে বসে আনন্দের সঙ্গে খাবার খেয়ে দেখুন কতটা প্রশান্তি মিলবে!

আত্মীয়দের সময় দিন অনলাইনে

পরিবারের অন্যান্য আত্মীয়স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব যারা দূরে আছেন, তাদেরকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। ফোনে কথা বলুন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। দেখবেন মন ফুরফুরে হয়ে গেছে!

প্রার্থনা করুন

প্রার্থনা করুন। প্রার্থনা করলে মন শান্ত থাকে। এজন্য কাজের ফাঁকে নিয়মিত প্রার্থনা করুন।