• মঙ্গলবার   ১৫ জুন ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪২৮

  • || ০৫ জ্বিলকদ ১৪৪২

শরীয়তপুর বার্তা

মিথ্যাবাদী নোবেল, দুর্ঘটনা নিয়ে বানোয়াট ব্যাখ্যা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২১  

শুরুটা প্রতিভা নিয়ে আলোচনা দিয়ে হলেও, সমালোচিত হতে বেশি সময় লাগেনি সংগীতশিল্পী মাঈনুল ইসলাম নোবেলের। কখনো জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে মন্তব্য করে, কখনো আবার বড় বড় শিল্পীদের নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ককেই সঙ্গী করে নিয়েছেন তিনি। এবার আলোচনায় এসেছেন সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে। নোবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নোবেল ফেসবুকে জানিয়েছিলেন, এক বৃদ্ধকে বাঁচাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। 

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নোবেল লিখেন, এক বয়স্ক লোক অসতর্কভাবে রাস্তা পার হচ্ছিলো। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার মাথার তালুতে ১২টা, বাম পাশের ভ্রু-তে ১৮টা, মোট ৩০টা সেলাই পড়েছে। তবুও মনে তৃপ্তি অনুভব করছি, কারণ লোকটা নিরাপদ আছে। আর আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ্‌।

নোবেলের এমন পোস্টের পর সকলেই নোবেলের প্রশংসায় ভাসছিলেন। কিন্তু এরই মাঝে এই ঘটনা নিয়ে নোবেলের বলা কথাগুলোকে মিথ্যা বলে দাবি করে এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শোয়াইব বিন আহসান ও আমিনুল ইসলাম আমিন।

শোয়াইব বিন আহসান বিস্ময় প্রকাশ করে ফেসবুকে লেখেন, কি সুন্দর মিথ্যাচার করে আবার আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছে নোবেল! 

এদিকে দ্বিতীয়জন সরাসরি ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যায় নোবেল গুরুতর আহত করেছেন কোনো বৃদ্ধকে নয়, এক তরুণ সাইকেল চালককে।

 

শোয়াইব বিন আহসানের পোস্ট করা ফেসবুক পোস্ট

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তার উল্টাপাশ থেকে হঠাৎ তুমুল গতিতে আসা নোবেলের লাল বাইকের চাপায় রক্তাক্ত হয়েছে ঐ তরুণ। ভেঙেছে সাইকেল, নষ্ট হয়েছে সঙ্গে থাকা ইফতারের জন্য কলা-মুড়ি-খেজুর-ছোলা। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) ইফতারের কয়েক মিনিট আগে, গুলশান আজাদ মসজিদের পাশের গলিতে।

টঙ্গির তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শোয়াইব গণমাধ্যমকে বলেন, রং সাইডে বাইক চালিয়ে এসে সাইকেল আরোহীর ওপর দিয়ে সোজা চালিয়ে দিলো নোবেল! যেখানে লোকটা সারাদিন পানাহারের পর ইফতার করে তার ক্ষুধা নিবারণের কথা, সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়লো সেদিন সন্ধ্যায়। আর নোবেল সবাইকে জানালো বৃদ্ধকে জীবনদানের গল্প!

এমন মিথ্যাচারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফোনে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় নোবেলের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।