• শনিবার   ১০ এপ্রিল ২০২১ ||

  • চৈত্র ২৭ ১৪২৭

  • || ২৮ শা'বান ১৪৪২

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু কূটনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার হবে প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় একাত্তরের ১০ এপ্রিল ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে হবে:প্রধানমন্ত্রী করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ডি-৮ এর প্রতি প্রধানমন্ত্রী আহ্বান আজ বৈঠকে বসছেন ডি-৮ শীর্ষ নেতারা মানুষ বাঁচাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী টিকাদানে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য সম্প্রসারণে মার্কিন সরকারের সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে বোঝা যাবে কে টিকে থাকবে, কে থাকবে না

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

শিক্ষার্থীদের করোনা থেকে সুরক্ষার সব ব্যবস্থা সরকার নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে বোঝা যাবে কে টিকে থাকবে, কে থাকবে না। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীর চেয়ে ছাত্র কমে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময়, একযোগে দেশের স্নাতক স্তরের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, ভর্তি ও চিকিৎসা অনুদান হিসেবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৮৭ কোটি ৫২ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকা পাঠানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

সরকার শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে সারাদেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসহায়তা দিয়ে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই শিক্ষার প্রসারে খরচকে আমরা বিনিয়োগ মনে করি।বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই স্বীকৃতি ধরে রাখতে শিক্ষার প্রসার প্রয়োজন।’

তার সরকারের শিক্ষা প্রসারে উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ এ সরকার গঠন করে সারাদেশে শিক্ষা প্রসারে উদ্যোগ নিই। নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলন শুরু করি। সেটাতে সাফল্যও পেয়েছি। শিক্ষাকে বহুমুখী করার পদক্ষেপ নিই। প্রযুক্তির শিক্ষারও গুরুত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশের প্রথম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ও আওয়ামী লীগ সরকার করে।’

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘এদেশের মানুষ শিক্ষিত হোক, বিএনপি-জামায়াত জোট সেটা চায়নি। ৯৬-এ আমাদের নেওয়া উদ্যোগগুলো তারা বন্ধ করে দেয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ারও ব্যবস্থা করছি। আমরা শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর।’

গণভবন প্রান্ত থেকে এ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান প্রমুখ।

পরে ভিডিও কনফারেন্সে পটুয়াখালীর গলাচিপা, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, বান্দরবান সদর উপজেলায় শিক্ষাবৃত্তি ও অনুদান নেয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সরকার প্রধান।