• রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

শরীয়তপুর বার্তা

শরীয়তপুরে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৪  

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ উন্নয়ন সমৃদ্ধ ,স্মাট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এঁর নেতৃত্বে এগিয়ে চলার শপথে  শরীয়তপুরের  টানা ৫দিনসহ বছরব্যাপি কর্মসূচী নিয়েছে শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগ। রবিবার (২৩ জুন) প্রথম প্রহরে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ৭৫ পাউন্ডে কেক কাটার মথ্য দিয়ে বছর ব্যাপি কর্মসূচীর শুভ সুচনা করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়।

বিকাল ৪টায় জেলা শিল্পকলার মাঠ থেকে শুরু হবে আনন্দ র‍্যালি। এর পরে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামলিীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এমপি।

এর পূর্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেককাট ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার। বিশেষ অতিখি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে,সহসভাপতি বীরমুক্তি যোদ্ধা আবুল হাসেম তপাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান উজ্জল, শরীয়তপুর পৌরসভা মেয়র এ্যাডভোকেট পারভেজ রহমান জন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক পিন্টু, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য জিপি আলহাজ্ব আলমগীর মুন্সী, শরীয়তপুর পৌরসভা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম এম জাহাঙ্গীর হোসেন,সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন খানসহ আওয়ামীলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন.বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের স্রষ্টা রাজনৈতিক সংগঠনটির নাম নিঃসন্দেহে আওয়ামী লীগ। জাতি হিসেবে আমাদের যা কিছু ইতিবাচক অর্জন আর অগ্রগতি সব এ দলটির হাত ধরেই। মহান এ দলটির হীরকজয়ন্তী বা ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে আজ ২৩ জুন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পুরোনো ঢাকার টিকাটুলীর কে. এম. দাস লেনের রোজ গার্ডেন প্যালেসে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালে দলটির সভাপতি ছিলেন জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন টাঙ্গাইলের শামসুল হক। পরে ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীরই উদ্যোগে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে নতুন নাম রাখা হয় নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর দলটির নাম স্বভাবতই পাল্টে গিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হয়ে যায়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এরপর চার বার তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া দলের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সম্মেলনে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।