• বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ যেন দুর্ভিক্ষের কবলে না পড়ে: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী ও তাঁর বন্ধুকে গ্রেফতার

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের নড়িয়ায় এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী ও স্বামীর বন্ধুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ও স্বামীর বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লোনের টাকা তুলতে রাজি না হওয়ায় তাকে হত্যা করেছে বলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়া সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান চাঁদপুর অঞ্চল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

এসপি জানান, মুন্সিগঞ্জ লৌহজংয়ের জোরপুল ঢুলুগাঁও এলাকার জাহাঙ্গীর শেখের সঙ্গে ১৮ বছর আগে বিয়ে হয় ছত্রিশ বেজগাঁও এলাকার আখিনুর আক্তারের। পরিবারে বেশিরভাগ সময় তাদের বনিবনা হতো না। বিয়ের পর জাহাঙ্গীরের ব্যবসার জন্য আখিনুর দুইবার দেড়লাক টাকা লোন তুলে দেয়। ব্যবসায় ক্ষতি হলে সম্প্রতি আখিনুরকে আবার কিস্তিতে লোন তুলে দিতে বলে।

রাজি নাহলে গত ১ নভেম্বর জাহাঙ্গীর ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর বন্ধু শাহ আলম ব্যাপারীর সহযোগিতায় আখিনুরকে নিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার পুরাতন থানা ঘাটের সামনে থেকে ট্রলার যোগে নড়িয়ার বালুর টেক পদ্মার মাঝে আসেন। দুপুর দেড়টার দিকে ট্রলারে মধ্যে শাহ আলম আখিনুরের গলা, নাক-মুখ চেপে ধরে ও জাহাঙ্গীর হাতপা চেপে ধরে। নিঃস্বাস বন্ধ হয়ে হয়ে গেলে রশ্মি দিয়ে হাতপা বেধে মুখে কসটেপ পেচিয়ে আখিনুরকে নদীতে ফেলে দিয়ে চলে যায়। ৩ নভেম্বর নড়িয়ার সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে। পরে ফরিদপুর সিআইডি ক্রাইম সিনের সহযোগিতায় লাশ সনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এঘটনায় ৬ নভেম্বর আখিনুরের বাবা আফজাল হোসেন বাদি হয়ে নড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ১৯ নভেম্বর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকারী জাহাঙ্গীর ও শাহ আলমকে তাদের নিজ এলাকা মুন্সিগঞ্জ জেলার বেজগাঁও এলাকা থেকে গ্রেফতার করে নৌ-পুলিশ।

আসামী শাহ আলম ব্যাপারী বলেন, আখিনুরকে আমি নাক, মুখ ও গলায় চেপে ধরি এবং জাহাঙ্গীর তাঁর স্ত্রীকে হাতপা চেপে ধরে। আখিনুর মারা গেলে আমরা নদীতে ফেলে দেই। জাহাঙ্গীর আমার বন্ধু তাই তাকে সাহায্য করেছি।

এসময় জাজিরা মাঝির ঘাট নৌ-পুলিশ পরিদর্শক (ইনচার্জ) তপন কুমার বিশ্বাস, এসআই জহিরুল হক, সুরেশ্বর নৌ-পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।