• বুধবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৮

  • || ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

‘বঙ্গবন্ধু জাদুঘর তরুণ প্রজন্মের দেশপ্রেমও জাগ্রত করবে’

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারি ২০২২  

বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় একটি প্রদর্শন কেন্দ্র বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, জ্ঞান অর্জন ও বিনোদনের পাশাপাশি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর ভূমিকা রাখবে। জাদুঘরটি শুধু প্রদর্শনীর জন্যই নয়, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করবে।

বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার বিজয় সরণিতে ‘বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, দেশের জন্য কাজ করতে এলে বাধা আসে কিন্তু সেসব অতিক্রম করেছি। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশী সামরিক বাহিনীর গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জনগণকে শিক্ষিত করার জন্য, বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর ১৯৮৭ সালে মিরপুর সেনানিবাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যা পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে ঢাকার বিজয় স্মরণী রোডের পাশে বঙ্গবন্ধু প্ল্যানেটোরিয়ামের পশ্চিম পাশে স্থানান্তরিত করা হয়।

জাদুঘরটি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর গৌরবময় অতীত, চ্যালেঞ্জ, অর্জন এবং মূল অগ্রগতি সম্পর্কে দেশের জনগণকে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে প্রামাণিক তথ্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রদর্শিত তথ্য গবেষণার উদ্দেশে ব্যবহার করা যেতে পারে।

জাদুঘর থেকে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধে সশস্র বাহিনীর বীরত্বগাঁথা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর কাছ থেকে অর্জিত বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র এবং সামরিক যানবাহন এই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরটি বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের পশ্চিম পাশে ১০ একর জমিতে নির্মিত হয়েছে। যেখানে স্বাধীনতার আগে ও পরে সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উপস্থাপন করা হয়েছে। জাদুঘরটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্য নির্ধারিত গ্যালারিসহ ছয়টি পৃথক অংশ রয়েছে এবং প্রতিটি বাহিনীর গ্যালারিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার। এখানে আর্ট গ্যালারিসহ মাল্টিপারপাস এক্সিবিশন গ্যালারি, ব্রিফিং রুম, স্যুভেনির শপ, ফাস্ট এইড কর্নার, মুক্তমঞ্চ, থ্রিডি সিনেমা হল, মাল্টিপারপাস হল, সেমিনার হল, লাইব্রেরী, আর্কাইভ, ভাস্কর্য, মুর‌্যাল, ক্যাফেটারিয়া, আলোকোজ্জ্বল ঝর্ণা ও বিস্তীর্ন উন্মুক্ত প্রান্তর সবকিছু মিলে একটি চমৎকার দৃষ্টি নন্দন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।