• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইওআরএ মন্ত্রীদের সাক্ষাৎ যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী এমপিদের ভবন প্রাঙ্গণে মীনা বাজার স্থাপন আনন্দের: স্পিকার ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পূর্ণাঙ্গ ভাষণ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২  

বিশ্বনেতারা মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও কোনো ভূমিকাই রাখছেন না বলে অভিযোগ রোহিঙ্গাদের। ৫ বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেয়নি দেশটি। আর গোলাগুলি ও গোলাবর্ষণ প্রত্যাবাসনকে বাধাগ্রস্ত করতে মিয়ানমারের ছলচাতুরী বলে দাবি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে রোহিঙ্গারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অনুপ্রবেশ করে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ। আশ্রয় নেয় ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আশ্রিত ৯ লাখ রোহিঙ্গা ৫ বছর পেরিয়ে এখন দাঁড়িয়েছে ১১ লাখের বেশি।

এমন অবস্থায় রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, জাতিসংঘসহ অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরা নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরাতে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেও কোনো ভূমিকাই রাখছেন না।

রোহিঙ্গাদের একজন অভিযোগ করে বলেন, ৫ বছর পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু অধিকার নিয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে পাঠানোর কোনো চেষ্টা কেউ করছে না। অপরজন বলেন, ৫ বছর পার হয়ে গেছে প্রত্যাবাসন হয়নি। আমরা দ্রুত প্রত্যাবাসন চাই। আমরা এখানে থাকতে চাই না।

রোহিঙ্গাদের মতে, স্বদেশে ফিরে যাওয়া বাধাগ্রস্ত করতেই মিয়ানমার সরকার সংঘাতের আশ্রয় নিয়েছে। এক রোহিঙ্গা নাগরিক জানান, আমাদের নিয়ে ব্যবসা করছে। কেন করছে এটা বলতে গেলে মিয়ানমার আসবে আমাদের নিয়ে যাবে শুনি, কিন্তু কোনো খবর নাই।

অন্যদিকে সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি ও গোলাবর্ষণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে বাধাগ্রস্ত করতেই মিয়ানমারের ছলচাতুরী বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

কক্সবাজারের উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, আরাকান আর্মি, মিয়ানমার সেনাবাহিনী  যাই বলেন না কেনো সেটাকে তারা ব্যবহার করে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করাই মূল উদ্দেশ্য।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ৩নং ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, পর্যায়ক্রমে রোহিঙ্গাদের পাঠাচ্ছে কিন্তু ফেরত নিচ্ছে না। আমাদের দেশের জন্য সেটা বোঝা হয়ে যাচ্ছে।  

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দু’দেশের মধ্যে চুক্তি হলেও মিয়ানমারের অনীহা এবং রাখাইনে পরিবেশ তৈরি না হওয়াসহ নানা অজুহাতে আশ্বাসের মধ্যেই ৫ বছর ধরে আটকে আছে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম।