• বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ যেন দুর্ভিক্ষের কবলে না পড়ে: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতি পেতে কাজ করছে বাংলাদেশ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২  

২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেতে বাংলাদেশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধগুলোর একটি। এত বেশিসংখ্যক হত্যা এবং বর্বরতার এমন উদাহরণ আমরা আর একটিও খুঁজে পাবো না।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) কানাডার উইনিপেগের মানবাধিকার জাদুঘরে অনুষ্ঠিত ‘রিমেম্বার অ্যান্ড রিকগনাইজ: দ্য কেস অব বাংলাদেশ জেনোসাইড অব ১৯৭১’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশন এবং কানাডার বঙ্গবন্ধু সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (বিসিবিএস), বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, জেনোসাইড স্টাডিজ সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রিফিউজিস রেজিলিয়েন্স সেন্টার এবং রোটারি ক্লাব কানাডা যৌথভাবে দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে নিউইয়র্ক থেকে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান। কানাডায় বিসিবিএস প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. কাওসার আহমেদ এতে সূচনা বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও সেমিনারে গণহত্যার শিকার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও বক্তব্য রাখেন।

অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী তার নিজেরে জীবনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তিনি তার বাবা ডা. আলীম চৌধুরীকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী, রাজাকারদের সহযোগীদের কতৃক অপহরণ এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। বাংলাদেশের গণহত্যার স্বীকৃতি পাওয়ার ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্বের পেছনে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ব্যাখ্যা করেন তিনি। একই সঙ্গে এ ধরনের স্বার্থবাদী রাজনীতির অবসানের আহ্বান জানান।

সিরাজউদ্দিন হোসেনের ছেলে তৌহীদ রেজা নূর তার বাবাকে অপহরণ ও হত্যার বর্ণনা দেন। শহীদ সিরাজউদ্দিন হোসেন একজন সাংবাদিক ছিলেন। কীভাবে বাঙ্গালি বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সংঘটিত গণহত্যার শিকার হয়েছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন তৌহীদ রেজা নূর।