• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১২ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর ২০২২  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী গত ১৪ বছরে আমরা স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি।

২৬-২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় ১৮তম বার্ষিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার ২০২২ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬-২০০১ সময়কালে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিটি গ্রামে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছিল। এছাড়াও প্রতিস্থাপনের জন্য অঙ্গ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং আইনানুগ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমরা ‘মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন, ১৯৯৯’ প্রণয়ন করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইনে আমরা মানবদেহের কিডনি, হার্ট, ফুসফুস, অন্ত্র, লিভার, অগ্ন্যাশয়, হাড়, মজ্জা, চোখ, ত্বক ও টিস্যুসহ যেকোনো অঙ্গ বা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের বিধান রেখেছি। মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেকোনো আইনি উত্তরাধিকারীর লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গ্রহণ করা যাবে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে ১নং ধারার মাধ্যমে আমরা পূর্ববর্তী আইনসমূহ হালনাগাদ করেছি এবং ‘মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন (সংশোধন) আইন, ২০১৮’ প্রণয়ন করেছি। এছাড়া, আমরা সংশোধিত আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর জন্য বিধান সংযুক্ত করেছি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ভূমিধস বিজয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর এবং টানা তিনবার, আমরা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা পুনরায় চালু করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ১৮,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র খুলেছি, যেখানে বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ দেয়া হচ্ছে। তার সরকার ‘জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি-২০১১’ প্রণয়ন করেছে এবং ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা’ অর্জনকে অগ্রাধিকার দিয়ে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে, বলেন সরকার প্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি আনন্দিত যে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজির (আইএসএন) সিস্টার রেনাল সেন্টার (এসআরসি) প্রোগ্রাম হিসাবে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল লন্ডন হাসপাতালের সহযোগিতায় তার ১৮তম বার্ষিক কনভেনশন এবং বৈজ্ঞানিক সেমিনার আয়োজন করছে।

তিনি আরও বলেন, আমি জেনে আনন্দিত যে নেপালের ডাক্তার ও নার্সরাও সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। আমি অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানাই। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মত ও ধারণা বিনিময় হবে যা আমাদের দেশে কিডনি রোগের ব্যবস্থাপনার উন্নতি ঘটাবে।