• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১২ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানা: মামলার আসামি আবুল কাশেমের মৃত্যু

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২২  

রাজধানীর কল্যাণপুরে একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। অভিযানের পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। সেই মামলার আসামি মুফতি মাওলানা আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর মারা গেছেন। তার মৃত্যু সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) মামলাটি অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এ মামলার আসামি আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর মারা গেছেন। এ বিষয়টি আদালতকে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী।

এরপর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান তার মৃত্যু সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। এ প্রতিবেদন এলে আদালত অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ঠিক করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের পেশকার পারভেজ ভূঁইয়া।

এর আগে ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই ভোরে কল্যাণপুরের ৫ নম্বর সড়কের ‘জাহাজ বিল্ডিং’র পঞ্চম তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে সন্দেহভাজন নয় জঙ্গি মারা যান। এছাড়া হাসান নামে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে পুলিশ। পালিয়ে যায় একজন। তারা সবাই জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য বলে জানিয়েছিল পুলিশ।

ওই ঘটনার পরদিন ২৭ জুলাই রাতে মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক শাহজাহান আলম বাদী হয়ে ১০ জঙ্গির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৬(২), ৮, ৯, ১০, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর গত বছরের ৯ মে মামলাটি বিচারের জন্য সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। একই বছরের ১৮ জুলাই ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

আসামিরা হলেন রাকিকুল হাসান রিগ্যান (২১), সালাহ উদ্দিন কামরান (৩০), আব্দুর রউফ প্রধান (৬৩), আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র্যাশ (২০), শরীফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ওরফে সোলায়মান (২৫), মামুনুর রশিদ রিপন ওরফে মামুন (৩০), আজাদুল কবিরাজ ওরফে হার্টবিট (২৮), আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর (৬০), আব্দুস সবুর খান হাসান ওরফে সোহেল মাহফুজ ওরফে নাসরল্লা হক ওরফে মুসাফির ওরফে জয় ওরফে কুলমেন (৩৩) এবং হাদিসুর রহমান সাগর (৪০)।

আসামিদের মধ্যে আজাদুল কবিরাজ পলাতক রয়েছেন। আব্দুর রউফ ও আবুল কাশেম জামিনে। এছাড়া অপর সাত আসামি কারাগারে বন্দি।