• শনিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৬ ১৪২৮

  • || ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

পালাতে গিয়ে গ্রেফতার অনাবিলের সুপারভাইজার

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০২১  

রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের বাসের চাপায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় বাসটির সুপারভাইজার গোলাম রাব্বী ওরফে রহমানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকা থেকে মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় র‌্যাব-৩ তাকে গ্রেফতার করে। বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকালে র‌্যাব-৩ এর সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা হক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সোমবার রাতে রামপুরা বাজার এলাকায় সদ্য এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া একরামুন্নেসা স্কুলের শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিনকে অনাবিল পরিবহনের একটি বাস চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা অনাবিল পরিবহনের বাসটি জব্দ করে।

ফারজানা হক জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটির চালককে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ করে। তবে বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার পালিয়ে যান। র‌্যাব-৩ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সায়েদাবাদ এলাকা থেকে গোলাম রাব্বীকে গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী দাবি করেছেন, বাসটির অতিরিক্ত গতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসচাপায় একজনের মৃত্যুর বিষয় টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। এরপর ঢাকার বাইরে আত্মগোপনে যেতে সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলে র‌্যাব তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীতে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন অনাবিল পরিবহনের হেলপার চান মিয়া। তিনিও স্বীকার করেন, বাসটি বেপরোয়া গতিতে চলার কারণেই স্কুলছাত্র মাঈনুদ্দিন চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন। এ ঘটনার পর আশপাশের উত্তেজিত জনতা ধাওয়া করে বাসটির চালককে ধরে পিটুনি দেন এবং পুলিশে সোপর্দ করেন।

ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারানোর পর পুলিশ বাসচালক সোহেল রানাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ওই রাতেই রামপুরায় অন্তত ১২টি বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।