• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইওআরএ মন্ত্রীদের সাক্ষাৎ যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী এমপিদের ভবন প্রাঙ্গণে মীনা বাজার স্থাপন আনন্দের: স্পিকার ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চার মাঝিকে খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন রোহিঙ্গা যুবক

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২  

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাসে চার মাঝিকে খুনের বিষয়ে ফেসবুক লাইভে এসে বর্ণনা দিয়েছেন মোহাম্মদ হাশিম (২০) নামে এক যুবক। তিনি নিজেকে ‘ইসলামী মাহাজ’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করেছেন। মোহাম্মদ হাশিমের একটি অস্ত্র নিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন। চার মাঝির মধ্যে কাকে কীভাবে হত্যা করেছিলেন তার রোমহর্ষক বর্ণনা দেন তিনি।

তিনি জানান, তার মতো ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়েছে ইসলামী সংগঠন মাহাজ। যাদের কাজ হলো হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা। এ কাজের জন্য আমাদের দেওয়া হতো মোটা অংকের টাকা। আমাদের মূল কাজ ছিল যারা প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করে, তাদের হত্যা করা। সম্প্রতি ৫-৬ দিনের মধ্যে আমরা তিন মাঝিসহ এই স্বেচ্ছাসেবককে হত্যা করেছি।

লাইভে খুনের শিকার মাঝিদের নামও বলেছেন এই যুবক। তার দাবি, ১৮ নং ক্যাম্পের হেড মাঝি জাফর, ৭ নং ক্যাম্পের ইসমাঈল, কুতুপালং এক্সটেনশন ক্যাম্প-৪-এর এইচ ব্লকের এরশাদ ও হেড মাঝি আজিমুল্লাহকে হত্যা করেছেন তিনি।

এসময় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ ইসলামী মাহাজ সংগঠনের চার মুখপাত্রের নামও বলেন মোহাম্মদ হাশিম। তারা হলেন- জিম্মাদার সাহাব উদ্দিন, রহমত উল্লাহ, হেড মাঝি ভুইয়া, মৌলভী রফিক। এই চারজন এই সংগঠনের নেতৃত্ব দেন বলে জানান হাশিম।

লাইভে মোহাম্মদ হাশিম আরও জানান, তাদের সামনে আরও বড় মিশন ছিল। কিন্তু তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। তাই এই খারাপ জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান।

এদিকে মোহাম্মদ হাশিমের সেই লাইভ ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এই ভিডিও প্রচারের পর থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাঝিসহ নেতৃস্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

গোয়েন্দা সংস্থার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ইসলামী মাহাজ নামে সংগঠনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা অপকর্ম করে। তারা ক্যাম্পে বড় ধরনের নাশকতা করে। তাদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ভিডিওটা আমরা দেখেছি। এই যুবক যাদের নাম উল্লেখ করেছে, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় সবসময় প্রস্তুত আছি। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করা হয়েছে।