• বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ যেন দুর্ভিক্ষের কবলে না পড়ে: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

এসএসসির ফল ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে!

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২২  

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। জানা গেছে, এ সংক্রান্ত প্রস্তাব নভেম্বরের শুরুতে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়কারী বোর্ড থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে নির্ধারিত দিনে ফল প্রকাশ করা হবে।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ১ অক্টোবর উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়। ১০ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। বর্তমানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র জানায়, অনেক পরীক্ষক এরই মধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে শুরু করেছেন। কোথাও আবার শেষ ধাপে মূল্যায়ন যাচাই করা হচ্ছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, এসএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি তা শেষ হবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের জন্য ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বর অথবা ১ ডিসেম্বর সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রস্তাব যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সম্মতি দেবেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।

এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডসহ ১১টি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এরমধ্যে শুধু সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন পরীক্ষার্থী ছিলো ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন। সারাদেশে ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা।