• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১২ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

বাবার মৃত্যুর খবর শুনে প্রাণ গেল ছেলের, এক সঙ্গে জানাজা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২২  

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাবা আবদুল হালিমের মৃত্যুর খবর শুনে স্ট্রোক করে ছেলে হাফিজুল ইসলাম মামুনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার এওজবালিয়া ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করিমপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
বাবা-ছেলে নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করিমপুর গ্রামের ডুবাইওলা বাড়ির বাসিন্দা।

এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার বিকেলে নিজ বাড়িতে মারা যান আবদুল হালিম। তার পাঁচ ছেলে তিন মেয়ে। হাফিজুল ইসলাম মামুন রেন্টে কার-এ ভাড়া গাড়ি চালাতেন। তিনি বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। চট্টগ্রাম থেকে ট্রিপ শেষ করে শুক্রবার রাতে বাড়ি ফিরেন মামুন। বাড়িতে এসে বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় একটি স্কুলশিক্ষক আবদুল হক বলেন, মামুন চট্টগ্রাম থেকে একটা ভাড়া শেষ করে রাতে বাড়িতে ফিরেন। বাড়িতে পৌঁছার আগেই তার মৃত্যু হয়। সে বাবার মৃত্যুর খবর সহ্য করতে পারেন নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া বলেন, আমরা ছেলে মামুনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। মামুন ২ সন্তানের বাবা। এক পরিবারের দুইজনের মৃত্যুতে চারদিকে শোকের ছায়া নেমে আসছে।

এওজবালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. বেলাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল ১০টার দিকে বাবা সন্তানের একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা এসেছেন সবাই খুব কান্নাকাটি করেছেন। পরবর্তীতে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি তাদের দাফন করা হয়।