• বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২ ১৪৩১

  • || ০৯ মুহররম ১৪৪৬

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:

অতিরিক্ত ধূমপানে বাড়ে অন্ধত্বের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২৩  

দৈনন্দিন জীবনের যে অভ্যাসগুলো বিপদ ডেকে আনে তার মধ্যে ধূমপান অন্যতম। এর কারণে একাধিক রোগ বাসা বাঁধে শরীরে। বেড়ে যায় ক্যানসারের মতো মারণব্যাধির ঝুঁকি। এ ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ কোলেস্টেরল এবং হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদ ডেকে আনে। তবে অনেকেই জানেন না যে, অতিরিক্ত ধূমপানের আসক্তি বিরূপ প্রভাব ফেলে চোখের ওপরও।

গবেষণা বলছে, তামাকের ধোঁয়ায় সাত হাজারেরও বেশি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ ছাড়া, ধূমপানের ফলে শরীরে যে দূষিত পদার্থ প্রবেশ করে, তা রক্তপ্রবাহের সঙ্গে মিশে গিয়ে চোখেরও যথেষ্ট ক্ষতি করে। ধূমপানের ফলে চোখের কী কী সমস্যা হতে পারে? চলুন জেনে নিই─

ক্যাটারাক্ট : অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে যে সমস্যাগুলো দেখা দেওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে ক্যাটারাক্টের সমস্যা অন্যতম। এই রোগের ফলে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। ক্যাটারাক্টজনিত কোনো সমস্যা হলে চোখের লেন্সের স্বচ্ছতা কমে যায়। চোখের আলো সহ্য করার ক্ষমতাও কমতে থাকে ধীরে ধীরে। ফলে দৃষ্টিশক্তিও দুর্বল হতে শুরু করে।

ম্যাকুলা : অতিরিক্ত ধূমপান করলে ম্যাকুলার মতো মারাত্মক কোনো অসুখের শিকার হতে পারে চোখ। এই অসুখে গাড়ি চালাতে, বই পড়তে এবং রং চিনতে অসুবিধা হয়। যদি সঠিক চিকিৎসা না হয়, তবে এই রোগের ফলে অন্ধত্বও দেখা দিতে পারে।

গ্লুকোমা : চোখের অভ্যন্তরে বাড়তি চাপের কারণে চোখে অতিরিক্ত তরল জমা হতে থাকে। ধূমপান করলে চোখে একটা চাপ পড়ে। আর দীর্ঘ দিন ধরে এই চাপের ফলে চোখে জমা হওয়া তরলের পরিমাণ আরও বেশি হয়।

চোখ শুকিয়ে যায় : চোখ শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ চোখের জলীয় পদার্থ শুষে নেয়। ফলে চোখ ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে পড়ে। সাধারণত লাল ভাব, জ্বালা করে, চোখে অস্বস্তি চোখ শুকিয়ে যাওয়ার কারণ। দীর্ঘ দিন ধরে এমন চলতে থাকলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কাও থেকে যায়।

চোখে ছানি : মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের কারণে যেকোনো বয়সে চোখে ছানি পড়তে পারে। সাধারণত বয়স হয়ে গেলেই চোখে ছানি পড়তে দেখা যায়। তবে ধূমপানের অভ্যাসের কারণে অল্পবয়সেও ছানি পড়তে পারে চোখে। তাই সতর্ক থাকা জরুরি।