• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইওআরএ মন্ত্রীদের সাক্ষাৎ যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী এমপিদের ভবন প্রাঙ্গণে মীনা বাজার স্থাপন আনন্দের: স্পিকার ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

শিগগির যুদ্ধ শেষ করতে চান পুতিন

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২  

উজবেকিস্তানের সমরখন্দে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিওর শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বৈঠক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে পুতিন আশ্বস্ত করে মোদীকে বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ শেষ করতে চান তিনি। তাছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারতের উদ্বেগের কারণ বুঝতে পেরেছেন পুতিন। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তাছাড়া ভারতের নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতিরও প্রশংসা করেন পুতিন। যুদ্ধের বিরোধিতা করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে ভারতের প্রস্তাবও বেশ গ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। সেই সঙ্গে ভারত-রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে।

আগে থেকেই ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ভারত ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরা। প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরে এই প্রথম মুখোমুখি হলেন মোদী ও পুতিন।

তাদের আলোচনায় উঠে আসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ। বৈঠকে মোদী পুতিনকে বলেছেন, এটা যুদ্ধ করার সময় নয়। আমি ফোনেও আপনার সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছিলাম।

এদিকে ২০২৩ সালের এসসিও বৈঠকের সভাপতিত্ব করবে ভারত। সেই জন্য ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে রাশিয়া। সাম্প্রতিক ইউক্রেনীয় সেনার হাতে নাস্তানাবুদ হচ্ছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার অধিকৃত বেশ কিছু জায়গা ফের পুনর্দখল করেছে ইউক্রেনীয় সেনা। লাগাতার ব্যর্থতার ফলে নিজের দেশেও বারবার বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন পুতিন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে একাধিক বার ফোনে কথা বলেছিলেন মোদী-পুতিন। প্রকাশ্যেও বারবার যুদ্ধের পরিবর্তে কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করে সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার পক্ষে বলেছে ভারত।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের চাপের মুখে পড়েও রাশিয়ার নিন্দা করেনি ভারত। জাতিসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া থেকেও বিরত থেকেছে দেশটি। কম দামে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানিও করেছে ভারত।