• শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ১ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

জাজিরায় ড্রোনের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার ভিডিও ধারণ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২১  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার নাওডোবা রোডে চলমান ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমকে শতভাগ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে উচ্চ রেজুলেশনের ক‍্যামেরাযুক্ত ড্রোনের সাহায্যে প্রকল্প এলাকার ভিডিও ধারণ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৭ ই আগষ্ট) দিন ব্যাপি ড্রোনের মাধ্যমে ভিডিও ধারনের এ কার্যক্রম করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুর পার থেকে শরীয়তপুর সদর পর্যন্ত রাস্তা চার লেনে উন্নতি করোন করায় জমি অধিকরন শুরু হয়েছে। জমি অধিকরন শুরু হলে একটি মহোল অসৎ ভাবে লাভবান হবার আশায় উদ্দেশ‍্য প্রনোদিত হয়ে যারা গণবিজ্ঞপ্তির পরেও অধিগ্রহণাধীন এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা উত্তোলন করেন। যারা গনবিজ্ঞপ্তির পরে স্থাপনা উত্তোলন করেছে এ সব অসাধু লোক গুলো চিহ্নত করার সহজ হবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে।

অন‍্যদিকে যেসকল দালাল চক্র, কিংবা অসাধু কর্মচারী আর্থিক লেনদেনের মাস্টারপ্লান করেছেন এ মর্মে অভিযোগ ছিল তাদের পরিকল্পনাও ভেস্তে গেছে এ প্রযুক্তির ব্যবহারে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব‍্যক্তি যাতে কোনভাবেই বঞ্চিত না হয় সেটি যেমন নিশ্চিত হবে, এতে সরকারী অর্থের অপচয়ও রোধ হবে।

এই কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হচ্ছে জেলা প্রশাসক নেতৃত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাসহ অধিগ্রহণের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়।

বাংলাদেশে এই প্রথম অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ড্রোন ব‍্যবহার করার মাধ‍্যমে দুর্নীতি বিরুদ্ধে জেলাপ্রশাসনের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হলো।

প্রকল্প এলাকায় উচ্চ রেজুলেশনের ক‍্যামেরাযুক্ত ড্রোনের সাহায্যে প্রকল্প এলাকার ভিডিও ধারণ করার সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আসমাউল হুসনা লিজা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আছাদুল হক, জাজিরা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফে মোহাম্মদ ছড়া,জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার খান সালমান হাবীব। সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুর রহমান।

ভূমি অধিগ্রহণ সম্পর্কে জেলা প্রশাসন মো. পারভেজ হাসান বলেন, ভূমি অধিগ্রহনের প্রতিটি ধাপকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করার অংশ হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান স্যারের নির্দেশনায় জেলা প্রশাসন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এতে করে জমির প্রকৃত মালিক তার প্রাপ্য বুঝে পাবে, অবৈধ সুযোগ গ্রহণকারীদের দৌরাত্ম হ্রাস হবে এবং সরকারের অর্থের সঠিক ব্যয় নিশ্চিত হবে।