• শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৩ ১৪২৮

  • || ১০ সফর ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

ভেদরগঞ্জে চাষী প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২১  

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পুস্টিবাগান স্থাপনকারী চাষীদের ২ দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। 

আজ বুধবার ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এর শহীদ আক্কাস শহীদ মহিউদ্দিন মিলনায়তনে প্রশিক্ষণ পরবর্তী অনুষ্ঠিত বিতরণ অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রাসূল। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে  বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তানভীন হাসান শূভ,উপসহকারী কৃষি অফিসার মামুনুর রশিদ হাসিব, কায়সার আহমেদ রানা, জাহিদ সরকার মোঃ মনিরুজ্জামান, খন্দকার আমির হোসেন সম্রাটও আল আমিন।

এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রাসূল বলেন, করোনা মহামারিতে খাদ্য সংকট ও দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে অনাবাদি জমিতে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করেছে যাচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় ৪৩৮ কোটি ব্যয়ে পাঁচ লাখ পুষ্টি বাগান তৈরি করা হবে। এর ধারাবাহিকতায়  ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ইতিমধ্যেই ৩০টি পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,  কৃসি বান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরি ইচ্ছায় সরকার কৃষি বিভাগের মাধ্যমে পতিত জমি ও বসত বাড়ির সামনে পুষ্টি বাগান প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেকটি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমিতে ১০০টি করে অর্থাৎ মোট ৪ লাখ ৮৮ হাজার সবজি, ফল ও মসলা জাতীয় ফসলের পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হবে। বসতবাড়ির স্যাঁতস্যাতে জমিতে কচুজাতীয় সবজির প্রদর্শনীও স্থাপন করা হবে।

মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ ফসল উৎপাদনে ১০০টি কমিউনিটি বেইজড ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদন পিট স্থাপন করা হবে। প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা  বলেন,‘করোনায় খাদ্যসংকট মোকাবিলা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পারিবারিক শাকসবজি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।পারিবারিক পর্যায়ে নিরাপদ মানসম্মত শাকসবজি, মসলা এবং মৌসুমী ফল উৎপাদনে সহায়ক হবে। উৎপাদিত ফসল পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি কৃষকের আয় বাড়াবে।