• শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৭ ১৪২৮

  • || ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

ভেদরগঞ্জে নাবি পাট চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
সরকারের কৃষি পুর্নবাসন কর্মসূচীর আওতায় উচ্চ ফলনশীল নাবি পাট বীজউৎপাদনের লক্ষে  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্য পাট বীজ, রাসায়নিক সার ও সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছে। 

ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উদ্যোগে বুধবার (১৫সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের শহীদ আক্কাস-শহীদ মহিউদ্দিন মিলনায়তনের সামনে থেকে ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম।উপসহকারী কৃষি অফিসার আক্তার হোসেন,কায়সার আহমেদ রানা, মামুনুর রশিদ,আল আমিনমহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী উপকারভোগী কৃষকগন। স্বাগত বক্তব্যে কৃষি অফিসার ফাতেমা ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ফসলগুলোর মধ্যে পাট অন্যতম। পাট ও পাট জাত পণ্য রপ্তানী করে বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ৫-৬ % বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। পাট বর্তমানে শুধু বস্তা বা চটেই সীমাবদ্ধ নয় বরং পাটের বহুবিধ ব্যবহার তাকে সোনালী অতীতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পাটের ব্যবহার ম্যান্ডেটরী প্যাকেজিং এ্যাক্ট হওয়ায় বর্তমানে পাট ও পাট জাতীয় পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশ বান্ধব সোনালী আঁশ ও রূপালী কাঠি তার সোনালী অতীত ফিরে পাবে এবং ডায়মন্ড ফাইবারে পরিণত হবে বলে আশাবাদী গবেষকরা এবং সেই লক্ষ্যেই নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং মাননীয় কৃষিমন্ত্রী কৃষিবিদ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় বর্তমান কৃষকবান্ধব সরকারের আমলে পাট শিল্পে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক বাস্তবতায়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পাট চাষের উন্নয়ন ও পাট আঁশের বহুমুখী ব্যবহার ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তসহ পাট চাষের সাথে সম্পৃক্ত সকলের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

শুধুমাত্র ভাল মানের বীজ ব্যবহার করে শতকরা প্রায় ২৫-৩০ ভাগ ফলন বৃদ্ধি করা যায়। বাংলাদেশে প্রতি বছর পাট মৌসুমে প্রায় ৫-৬ হাজার মেট্রিক টন পাট বীজের প্রয়োজন হয় যার মধ্যে ১২-১৫% বীজ বিএডিসি সরবরাহ করে এবং বাকী বীজ স্থানীয় বাজার ও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আমদানী করা হয়। তাই কৃষকরা যাতে নিজের বীজ নিজেই উৎপাদন করতে পারেন সেজন্য উন্নতমানের পাট বীজ উৎপাদনের কলাকৌশল সম্পর্কে তাদের জানা দরকার।

৫০ জন কৃষককে ৫০০ গ্রাম নাবী পাট বীজ, ডিএপি ১০ কেজি এমওপি ১০ কেজি ইউরিয়া ১০ কেজি সার প্রদান করা হয় ।