• সোমবার   ১৬ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯

  • || ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

ভেদরগঞ্জে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষনে উদ্বুদ্ধকরণ সভা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২২  

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

" দেশী মাছ রক্ষা পেলে,খাদ্য পুষ্টি  দু- ই মিলে" এই প্রতিপাদ্যের মধ্যদিয়ে ভেদরগঞ্জে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষন প্রকল্পের আওতায় দিন ব্যাপি উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শহীদ আক্কাস শহীদ মহিউদ্দিন মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

ভেদরগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন  প্রকল্পের মনিটরিং আফিসার মোঃ আসলাম হোসেন শেখ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন  সহকারী কমিশনার (ভুমি) শাফিউল মাজলুবিন রহমান,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম, প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ ফারুক হোসেন,  সখিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ  আসাদুজ্জামান   হাওলাদার,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার।

সভায় প্রধান অতিথি  উপজেলা নির্বাহী অফিসার  তানভীর আল নাসীফ বলেন,দেশীয় মাছ ও শামুক সংরক্ষনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এঁর আন্তরিক ইচ্ছায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে মৎস্য মন্ত্রনালয়। তিনি আরো বলেন, মাছ ও শামুক চাষের পাশাপাশি খামারিদের মুক্তা চাষ করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প  আওতায় মৎস্য সংরক্ষণের পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানের কথা হবে। মৎসজীবীদের কাজের ধরন পরিবর্তনের প্রয়োজন বলে তিনি তুলে ধরেন। মাছ ধরার পাশাপাশি অন্য কাজের আগ্রহ থাকলে নিষেধাজ্ঞাকালে মৎসজীবীদের জীবনযাপনে সমস্যা হবে না বলে তিনি ধারণা করেন।

দেশিয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৩ বিভাগে ৪৯ উপজেলায় এ প্রকল্প চলমান রয়েছে। তার মধ্যে শরীয়তপুর জেলার সকল উপজেলা  এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প আগামী ২০২৪ সাল নাগাদ চলমান থাকবে। এ প্রকল্পের আওতায় ১৫ হাজার জেলেদের প্রশিক্ষণ দিয়ে মৎস্য চাষে আগ্রহী করে তোলা হবে। ৩০ হাজার জেলেদের বিকল্প পেশায় নিয়োজিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আগের চেয়ে ২০ ভাগ বেশি মৎস্য চাষ বৃদ্ধি পাবে বলে জানান।

প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার আসরাম হোসেন বলেন,দেশিয় প্রজাতির মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিষ দিয়ে মৎস্য নিধন তথা কৃষি ক্ষেত্রে কীটনাশকের ব্যবহার সীমিত করণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।