• বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ যেন দুর্ভিক্ষের কবলে না পড়ে: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতুর জাজিরা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক চললো `ট্র্যাক

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২২  

শরীয়তপুর থেকে : পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতুর জাজিরা পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার নতুন রেলপথে পরীক্ষামূলক 'ট্র্যাক কার' চলাচল সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। । সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেশি-বিদেশী প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ভাঙ্গা পুরনো স্টেশন থেকে পরীক্ষামূলক রেলটি পদ্মা সেতুর অভিমুখে ছেড়ে আসে । ৪কিলোমিটার পাথরবিহীন এবং ২৮ কিলোমিটার পাথরসহ মোট  ৩২কিলোমিটার রেললাইন পারি দিয়ে বেলা ১টার দিকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে পৌছায়।  মাঝপথে কয়েকটি স্থানে নেওয়া হয় বিরতি।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে মাওয়া-ভাঙা (সেকশন-১) অংশের স্টেশন ইনচার্জ অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৩২কিলোমিটার পথে আধুনিক রেল লাইন বসে যাওয়ায় প্রথমবারের মত রেল চালানো হয়েছে। কয়েকদিন আগে এই পথের কাজ শেষ হয়েছিলো  আজ চীনা তৈরি একটি গ্যাঙকার পরিক্ষামূলক চালানো হয়। পরীক্ষামূলক হওয়ায় কিছুটা ধীরগতি পুরো পথে রেলটি চালানো হয়েছে, কয়েকটি স্থানে বিরতি নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই পথে ১২কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে রেললাইন স্থাপন করা হয়েছে। আজকের পরিক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হয়েছে।

এসময় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান সম্বনয়ক মেজর জেনারেল জাহিদ হাসান, প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদ আহমেদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকৌশলী সূত্রে জানা যায়, ৪৫০ মিলিমিটার পুরুত্বের সাব বেলাস্ট তৈরির পরই এর উপর প্রথমে ১৫০মিলিমিটার ভাড়ি করে পাথর টুকরো বিছিয়ে কমপেকসন করা হয়েছে। এরপর চীনা ট্র্যাক ক্যারিয়ার মেশিনে একসাথে ১৫ টন ওজনের ২৫ মিটার দীর্ঘ ' ট্র্যাক প্যানেল' বসিয়ে দেয়া হয়। এর উপর ৭৫ মিলিমিটার ভারি করে দুই দফায় পাথর টুকরো ফেলে কমপেকসনে দেশে প্রথম কংক্রিটের স্লিপার পোক্তভাবে বসে যাচ্ছে। ফাইনাল টিউনিং করে এলাইনমেন্ট ঠিক হলেই টেম্পিং করে রেল চলাচলের জন্য উপযোগী করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দ্রুত গতির রেল চলাচল উপযোগী করে নিখুঁতভাবে রেল ট্র্যাক বসানো হয়।

রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললিঙ্ক প্রকল্প শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে পদ্মা সেতু দিয়ে রেল চলাচলের টার্গেট রয়েছে আগামী জুনে।