• বুধবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৮

  • || ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

যে কারণে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল নির্মাণ করলো সিঙ্গাপুর

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২২  

সিঙ্গাপুরে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল। গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে দেশটির সমুদ্রতীরবর্তী স্থানে গত বছরের জুলাইয়ে এ প্যানেল স্থাপিত হয়।

৪৫ হেক্টর জায়গায় ১ লাখ ২২ হাজার সোলার প্যালেন নিয়ে বিশ্বের অন্যতম বড় এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প। ১ লাখ ২২ হাজার প্যানেলের প্রকল্পটি ৪৫টি ফুটবল মাঠের সমান। এখান থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, তা দিয়ে দেশটির পাঁচটি পানি শোধনাগার চালানো যায়।

র্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন সূত্র বলছে, ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে এই সৌর প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এটি রক্ষণাবেক্ষণে ড্রোনের সাহায্য নেয়া হয়। বর্তমানে সিম্বকর্পের এই সৌর প্যানেল ছাড়া আরও চারটি ভাসমান সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প রয়েছে সিঙ্গাপুরে। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে চারগুণ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।

সিম্বকর্পের দাবি, প্রচলিত ছাদের ওপরে রাখা সৌর প্যানেলের তুলনায় ভাসমান প্যানেল ৫ থেকে ১৫ গুণ বেশি কার্যকর। কারণ, পানি শীতলের কাজ করে এবং ভবনের কোনো ছায়া এর ওপর প্রভাব ফেলে না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রসীমা বৃদ্ধিতে দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর এমনিতেই হুমকিতে রয়েছে। দেশটিতে মূলত স্থান সংকুলানের কারণে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ক্ষতিকর কার্বন নিঃসরণ কমাতেও এটি অবদান রাখবে।

এটি পশ্চিম সিঙ্গাপুরের একটি জলাধারে অবস্থিত। সিঙ্গাপুরের জাতীয় পানি সংস্থা পিইউবি ও সিম্বকর্পের দাবি, এ সৌরবিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর ৩২ কিলো টন কার্বন নির্গমন কমাতে সক্ষম। এর অর্থ রাস্তা থেকে সাত হাজার গাড়ি সরিয়ে ফেললে যে পরিমাণ কার্বন কমবে, তার সমান।  

বিশ্বের বৃহৎ পরিবেশবান্ধব এই সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল নির্মাণ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর। এটিকে সিঙ্গাপুরের জন্য বড় সফলতা হিসেবে দেখছে বিশ্ববাসী।