• রোববার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৯

  • || ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফরে ৩০ প্রকল্প উদ্বোধন প্রতিবন্ধীদের ছাড়া রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়: শেখ হাসিনা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কত প্রাণ ঝরেছে হিসাব নেই পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সভা বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি

জুলাইয়ে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২  

দেশে এক মূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও মেয়াদহীন ডাটা প্যাকেজ চালু হয়েছে। এরপর থেকে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা।

চলতি বছরের (২০২২) জুলাই মাসের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা হিসাব করে এ তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

তথ্য অনুযায়ী, জুনের তুলনায় জুলাই মাসে প্রায় ১৪ লাখ নতুন ডেটা ব্যবহারকারী গ্রাহক বেড়েছে। আর জুলাই মাসের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। ফলে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ দশমিক ৭৬ কোটিতে পৌঁছেছে।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জাগো নিউজকে বলেন, সারাদেশে এক মূল্যে ব্রডব্যান্ড পরিষেবার কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। আর মোবাইল ডাটা ব্যবহারকারীর বেশি হওয়ার কারণ হলো, এখন সবগুলো মোবাইল কোম্পানি ডাটা ব্যবহারে আনলিমিটেড সময় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, এই বছর আমরা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছি। অপারেটররা স্পেকট্রাম স্থাপন শুরু করলে আরও ভালো মোবাইল ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। তখন আরও বাড়বে গ্রাহক সংখ্যা।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল কোম্পানি মিলে গ্রাহক সংখ্যা হচ্ছে ১৮ কোটি ৪০ লাখ ১ হাজার।

এর আগে ৩১ আগস্ট জাতীয় সংসদে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪০ লাখ, সিমের সংখ্যা ১১ কোটি ১৪ লাখ। আর রবি আজিয়াটার গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ, সিমের সংখ্যা ১০ কোটি ২৬ লাখ। বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৮৫ লাখ, সিমের সংখ্যা ৮ কোটি ২৬ লাখ। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রাহক সংখ্যা ৬৭ লাখ এক হাজার, সিমের সংখ্যা ১ কোটি ৩৩ লাখ।

গ্রাহক সংখ্যা বলতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, বায়োমেট্রিক ভেরিফাইড সাবস্ক্রিপশন বুঝানো হয়েছে, যারা গত তিন মাসে অন্তত একবার উক্ত মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় ছিলেন।