• শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৩ ১৪২৮

  • || ১০ সফর ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

বার্সেলোনার কাছে ৬০০ কোটি টাকা পাওনা মেসির

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২১  

করোনার কারণে আর্থিক সমস্যায় পুরোপুরি পর্যুদস্ত বার্সেলোনা। মূলত সেই কারণেই ক্লাবের এক সময়ের সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসির সঙ্গে তাদের পক্ষে চুক্তি নবায়ণ করা সম্ভব হয়নি। যদিও অর্ধেক বেতনে হলেও প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনায় থাকতে চেয়েছিলেন মেসি।

কিন্তু লা লিগার আইন সে ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। লা লিগার 'ফেয়ার প্লে' নীতির লঙ্ঘন হওয়ার কারণে নতুন করে চুক্তি করা সম্ভব হয়নি।

বার্সেলোনার সাথে ২১ বছরের পুরনো সম্পর্ক ছিন্ন করে আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি এরইমধ্যে পাড়ি জমিয়েছেন ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে। নতুন ক্লাবের সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখনও সাবেক ক্লাব বার্সার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাওনা রয়েছে মেসির।

স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার কাছ থেকে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ছয়শো কোটি টাকা পাওনা রয়েছে মেসির! মেসি তার বকেয়া বেতন বাবদ বার্সার কাছে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পান। করোনায় খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে দর্শকবিহীন স্টেডিয়ামে খেলা হওয়ায় বার্সার আয় বিপুল পরিমাণে কমে যায়। আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার কারণে এখনও পর্যন্ত বার্সা সেই পাওনা পরিশোধ করতে পারেনি।

এছাড়াও চুক্তির মেয়াদপূর্ণ করায় মেসি বার্সেলোনার থেকে বাড়তি টাকা পাবেন। সেই অর্থও এখন পর্যন্ত দিতে পারেনি বার্সা। তবে বার্সাকে এখনই পাওনা মেটানোর ব্যাপারে চাপ দিচ্ছেন না মেসি। দুই পক্ষের আইনজীবীরা এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। বার্সেলোনা ২০২২ সাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে মেসির বকেয়া পরিশোধ করতে।

বার্সেলোনা ছেড়ে মেসি চলে যাওয়ার পর ফাইনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ইউরোপিয়ান ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। এর ফলে ক্লাবগুলো যত খুশি টাকা খরচ করে প্লেয়ার কিনতে পারবে। তবে সেজন্য গুনতে হবে অতিরিক্ত কর। আর এই করের টাকা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড গড়তে দেওয়া হবে ছোট দলগুলোকে।

ফাইনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে (এফএফপি)। মেসি চলে যাবার পর সারা বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল এটি। যারা জানতো না তারাও ইন্টারনেটের কল্যাণে জানতে চেয়েছেন। খোঁজ নিয়েছেন প্রিয় তারকা চলে যাবার কারণ।

মহাতারকার বার্সা ছাড়তে হয়েছে এই এফএফপির জন্যই। এ ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসেছে ফুটবলের হর্তাকর্তারা। ইউরোপিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফার সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন এবার উয়েফার ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে'র নিয়মটাই বদলে দেবার চিন্তা করছেন। যেখানে ক্লাবগুলো করতে পারবে ইচ্ছামতো খরচ।

কেমন হবে নতুন ফেয়ার প্লে নীতি? উয়েফা এখানে সাহায্য নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবল লিগ এনবিএতে অনুসরণ করা নীতি। এনবিএ'তে নিয়ম করা আছে, প্রতিটি দল চাইলে ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে'র ধরা-বাধা নিয়মে অর্থ ব্যায়ের সীমা অতিক্রম করতে পারবে। যে কারণে কোনো দলকে নিষিদ্ধ করা হবে না।