• মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪৩১

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:

মিয়ানমারে বিক্ষোভ ঠেকাতে রাস্তায় সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

মিয়ানমারের দখলদার সামরিক বাহিনী ক্ষমতা পাকাপোক্ত ও দীর্ঘ করতে আরও উদ্যোগী হয়েছে। সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দশম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ ঠেকাতে সড়কে সড়কে সাঁজোয়া যান মোতায়েন করা হয়েছে। দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষের বিক্ষোভে গুলি চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের কণ্ঠ করতে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

মিয়ানমারে দেশটির প্রধান প্রধান শহরগুলোর রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনার সাঁজোয়া যান। খবর রয়টার্সের।

শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকেই সামরিক জান্তা আমলের একটি আইন পুনরায় জারি করা হয়েছে। ওই আইন অনুযায়ী, রাতে বাড়িতে কোনো অতিথি এলে কর্তৃপক্ষকে তা জানাতে হবে। ওই আইনের বলে নিরাপত্তা বাহিনী আদালতের অনুমতি ছাড়াই সন্দেহভাজন যে কাউকে আটক ও নাগরিকদের বাড়ি তল্লাশি করতে পারবে।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা নামার পরপরই বাণিজ্য নগরী ইয়াঙ্গুন, মিতকিনা এবং রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতউইতে সড়কে সাঁজোয়া যান চলতে দেখা যায়।

এমন ঘটনাকে অভ্যুত্থান বিরোধীদের ধরপাকড়ে সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতির আভাস বলে মনে করা হচ্ছে। এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মিয়ানমারের পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অন্যান্য ১১টি পশ্চিমা দেশের দূতাবাসগুলো এক বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিক্ষোভকারী ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

এসব দেশ বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'আমরা মিয়ানমারের জনগণকে তাদের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, শান্তি ও সমৃদ্ধির সন্ধানে সমর্থন করি। বিশ্ব দেখছে'।

মিয়ানমারে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদে ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

পহেলা ফেব্রুয়ারিতে আকস্মিক এক অভ্যুত্থানে দেশটির জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। গত নভেম্বরের ভোটে জালিয়াতির অভিযোগে গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ অধিকাংশ আইনপ্রণেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।