• বুধবার ২৯ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪৩১

  • || ২০ জ্বিলকদ ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম : রাষ্ট্রপতি রাত ২টা পর্যন্ত নিজেই দুর্যোগ মনিটর করেছেন প্রধানমন্ত্রী রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাবেন শেখ হাসিনা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অগ্রযাত্রায় মার্কিন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ডকুমেন্টারি ‘কলকাতায় মুজিব’ অবলোকন ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল : ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়: প্রধানমন্ত্রী

শিবচরকে আমরা আরও উন্নত করবো- চিফ হুইপ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২৪  

মাদারীপুরের শিবচরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস চৌধুরী নামে দৃষ্টিনন্দন তোরন উদ্বোধন করেছেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারী পার্টির সাধারন সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী।  মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে, সাবেক সংসদ সদস্য ও গণপরিষদের প্রাক্তন সদস্য, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, সমাজ সেবকের নামের তোরনটি শিবচর উপজেলার প্রবেশদ্বার দত্তপাড়া ইউনিয়নের সূর্য্যনগর বাজারে মাদারীপুর জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত। তোরনটি শনিবার বিকেলে উদ্বোধন করা হয়।

সূর্যনগর-উৎরাইল আঞ্চলিক সড়কের প্রবেশ পথে মাদারীপুর জেলা পরিষদের অর্থায়নে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এই তোরণটি নির্মিত। ৭৬ ফিট দৈর্ঘ্য, ৩৫ ফিট উচ্চতা এবং ৯ ফিট প্রস্থের এই তোরণটি । মরহুম ইলিয়াস আহম্মদ চৌধুরী (দাদাভাই) ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনসহ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ মোল্লা, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা.মো. সেলিম ,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যার আতাউর রহমান বেপারীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এরপর চীফ হুইপ দত্তপাড়ায় আড়িয়াল খা নদ সংলগ্ন নব নির্মিত পার্ক গার্ডেনিয়া নামক পার্ক উদ্বোধন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, আজ থেকে ৫০ বছর আগে এই এলাকা এরকম ছিল না। এখান থেকে যে একটা বিশ্বরোড যাবে, এতো সুন্দর একটা রাস্তা যাবে, এটা আমরা ভাবতে পারিনি। আমাদের পিতা মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ১৯৭৪ সনেই ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রস্তাব বঙ্গবন্ধুর কাছে দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সনের বাজেটেই এই রাস্তার জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলেন। জাতির পিতা যদি বেঁচে থাকতো, তবে অনেক আগেই আমাদের স্বপ্নের রাস্তা বাস্তবায়ন হতো। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার কারনে, আপনারা তাকে বার বার ক্ষমতায় বসানোর কারনে আমরা শুধু রাস্তাই না, পদ্মাসেতু পেয়েছি। রেল সড়ক পেয়েছি, রেল স্টেশন পেয়েছি। আজ শিবচরের মানুষ সড়ক পথে এবং রেল পথে আসা-যাওয়া করতে পারছে।'
চিফ হুইপ আরও বলেন,'শিবচরকে আমরা আরও উন্নত করবো। শিবচরের ছেলেমেয়েদের যাতে বিদেশে গিয়ে লেখাপড়া করতে না হয়। বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করতে না হয়। বিভিন্ন এলাকার মানুষ যেন শিবচরে আসে।'