• শনিবার ০২ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৮ ১৪৩০

  • || ২০ শা'বান ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বেইলি রোডে অগ্নিকান্ড কবলিত ভবনে ফায়ার এক্সিট না থাকায় হতাশ নতুন নতুন অপরাধ দমনে পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও নজরদারি চাই রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতি বিশ্বের সম্ভাব্য সকল স্থানে রপ্তানি বাজার ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে

রাখাইনে কর্মরত ১০ বাংলাদেশির ৩ জন ইয়াংগুনে পৌঁছেছেন

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

রাখাইনের সিতওয়েতে বাংলাদেশ মিশনে কর্মরত ১০ বাংলাদেশি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ৩ জন রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইয়াংগুনে পৌঁছেছেন। বাকি ৭ জন মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইয়াংগুনে পৌঁছাবেন আশা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশিদের সরিয়ে আনা হচ্ছে। তারা ইয়াংগুনে অবস্থান করবেন এবং পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি ভালো হলে তাদের আবার ফেরত পাঠানো হবে।’

সিতওয়েতে বাংলাদেশ মিশনে স্থানীয় কর্মচারীরা অবস্থান করছে এবং তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, রাখাইনে চলমান মিয়ানমার বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাতের কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়। সে কারণে অন্যান্য বিদেশি মিশন ও জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সিতওয়ে থেকে প্রতিদিন মাত্র একটি ফ্লাইট ইয়াংগুনে আসে এবং সেখানে টিকিট পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কষ্ট করে টিকিটের ব্যবস্থা করতে হয়েছে।’

এদিকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমার বাহিনীর ৩৩০ সদস্যকে এ সপ্তাহের মধ্যে সমুদ্রপথে ফেরত পাঠানো হবে। এ বিষয়ে রবিবার পররাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ প্রসঙ্গে একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজ তাদের বাহিনীর সদস্যদের নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উপকূলের কাছে আছে। বাংলাদেশের অনুমোদন সাপেক্ষে তারা আউটার অ্যাংকরেজে অপেক্ষা করবে এবং তাদের লোকদের নিয়ে যাবে।’

কক্সবাজারে যে জেটি আছে সেখানে ওই জাহাজ ভিড়তে পারবে না এবং মিয়ানমার নাগরিকদের ছোট ট্রলার বা নৌকায় করে আউটার অ্যাংকরেজের জাহাজে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা এ সপ্তাহের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবো। বর্তমানে প্রায় সবাই টেকনাফে অবস্থান করছেন। এছাড়া আহত কয়েকজনকে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদেরও তারিখ ঠিক হলে কক্সবাজারে নিয়ে আসা হবে।’