• শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • চৈত্র ৩০ ১৪৩০

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা

খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আধুনিক করা হচ্ছে

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আধুনিকায়ন করা হচ্ছে এই পদ্ধতিকে। এ লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার দেশের সব শীর্ষ খাদ্য কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সেখানে খাদ্যশস্য সংগ্রহ, বিলিবণ্টন, অপচয় কমিয়ে আনা, অবৈধ মজুতবিরোধী কার্যক্রম কঠোর করাসহ সার্বিক শৃঙ্খলা আরও উন্নত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আরসি ফুড (রিজিওনাল ফুড কন্ট্রোলার) ও ডিসি ফুডদের (ডেপুটি ফুড কন্ট্রোলার) নিয়ে আজ সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে বৈঠক।

দিনব্যাপী এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন। প্রধান অতিথি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন।

এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বৃহস্পতিবার দেশের সকল আরসি ফুড ও ডিসি ফুডদের নিয়ে অধিদপ্তরে বৈঠক করা হবে। সেখানে খাদ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আগামীতে পদায়নের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনা হবে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ নিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। খাদ্যশস্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। চাল, ধানের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আপোস চলবে না। খাদ্যগুদামগুলোর দুর্নীতি কোনো অবস্থায় বরদাস্ত করা হবে না- এ জাতীয় নির্দেশনা থাকতে পারে।

নির্দেশনায় থাকছে, সরকার বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় খাদ্যশস্য বিলিবণ্টন করে থাকে। প্রতিটি বিলিবণ্টন সঠিকভাবে হতে হবে। ওএমএস, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে মাঝে মাঝে অনিয়মের খবর পাওয়া যায়। এতে কোনো প্রকার অনিয়ম করা যাবে না। প্রতিটা ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজড করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। খাদ্য অধিদপ্তর থেকে সিস্টেম দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে। ওই সিস্টেমে কে কোথায় কতটা ধান, চাল সংগ্রহ করল, আবার কে কোথায় কত বিতরণ করল তা ঢাকায় বসে কর্মকর্তারা জানতে পারবেন।

এসব বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে। পাশাপাশি চালকলগুলো নিয়মিত পরিদর্শন অব্যাহত রাখতে হবে। প্রতিটি এলাকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই চালকলগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। কোথাও অবৈধ মজুত পেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিসি ফুড, আরসি ফুডকে জবাবদিহি করতে হবে।