• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১২ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

ভিসা মওকুফ চুক্তির সম্ভাবনা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০২২  

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গুয়াতেমালাকে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক এবং অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য একটি ভিসা মওকুফ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা অন্বেষণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও অ্যাডলফো বুকারো ফ্লোরেস পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেলিফোন করলে তিনি এ প্রস্তাব দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য গুয়াতেমালার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করারও প্রস্তাব করেন।

গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ কমিটির সুরক্ষায় ইউনেস্কোর আন্তঃসরকারি কমিটির সদস্য হিসেবে ইউনেস্কোর ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে গুয়াতেমালার ‘হলি উইক ইন গুয়াতেমালা’কে মনোনীত করতে বাংলাদেশের সমর্থন চান।

ড. মোমেন দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে গুয়াতেমালাকে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানান।

কথোপকথনের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একই মূল্যবোধ ও নীতির ভিত্তিতে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশ করেন। মোমেন গুয়াতেমালার আরো বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করেন।

ফ্লোরেস আগামী দিনে বাংলাদেশের সঙ্গে আরো শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগণকে মিয়ানমারে তাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে গুয়াতেমালার অব্যাহত সমর্থন আশা করেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের বাস্তুচ্যুতি, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবিলায় বহুপক্ষীয় ফ্রন্টে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।