• বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪৩১

  • || ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:

সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা গ্রহণ (১৯৬৯)

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২৩  

শেখ মুজিব গোলটেবিল বৈঠক পরিত্যাগ করলেন। বললেন, বাংলার মানুষের দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন চলবে। পূর্ব পাকিস্তান গর্জে উঠল। স্বৈরাচারের পতন চাই। দুঃশাসন দূর হোক। জেনারেল আইয়ুব খান বিদায় নিতে বাধ্য হলেন। কেননা, তার পেছনে তখন সামরিক চক্র দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছিল।

সেনাবাহিনীর কাঠামোগত ঐক্য ও ক্ষমতার কর্তৃত্ব ধরে রাখার স্বার্থেই ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ প্রধান সেনাপতি জেনারেল ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হয়। যদিও ক্ষমতা হস্তান্তরের শাসনতান্ত্রিক বিধান অনুসারে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব কাঠামোয় আইয়ুব সৃষ্ট বেসামরিক শাসনতান্ত্রিক কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করাই ছিল আইনানুগ। পরবর্তীকালে বাংলাদেশে অভ্যুদয়ের পর জেনারেল ইয়াহিয়ার ক্ষমতা দখলের এই অশাসনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শাসনতন্ত্রবহির্ভূত বলে পাকিস্তান লাহোর হাইকোর্টের এক রায়ে ঘোষিত হয়েছে।

অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক কর্তৃত্বের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে শেখ মুজিব প্রথম থেকেই কড়া নজর রেখেছিলেন। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক শাসন জারির সমান্তরাল পদক্ষেপ হিসেবে শেখ মুজিব গণআন্দোলনের পথ পরিহার করেননি। তার নির্দেশে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এক বিবৃতিতে পূর্ণ ব্যক্তিস্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি ৬ দফা ও ১১ দফা দাবি ও এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি, পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করে।