• শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩১

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা

তাপমাত্রা কবে কমবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৫ জুন ২০২৩  

সারাদেশে জ্যৈষ্ঠের খরতাপে অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে। কোথাও নেই বৃষ্টির লক্ষণ। মে মাসের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহ এখনও চলছে, যা আরো পাঁচ থেকে ছয় দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
রোববার দেশের ৪৪টি আবহাওয়া স্টেশনের পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে আবহাওয়া অধিদফতর এমনই তথ্য জানিয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আষাঢ় মাস আসতে আর প্রায় এক সপ্তাহ বাকি। সবার আশা, বর্ষার আগমনে তখন বৃষ্টি নামলে হয়তো এ অসহনীয় গরম থেকে পরিত্রাণ মিলবে।

আরো জানা গেছে, আগামী পাঁচ-ছয় দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি নামতে পারে। তবে ১৩ জুনের আগে সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা কমার মতো ভারী বৃষ্টির দেখা পাওয়া যাবে না।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, ৪৪টি স্টেশনের মধ্যে ৩১টিতেই মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় দিনাজপুরে ৪১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনাজপুরে এমন তাপমাত্রা গত ৬৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৫৮ সালের ৩ জুন দিনাজপুরে ৪১.১ ডিগ্রি তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছিল। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে তাপপ্রবাহের মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, সমুদ্রের উপরিভাগের তাপমাত্রা ২৬.৫ এর ওপরে থাকা ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ। বর্তমানে সাগরের উপরিভাগের তাপমাত্রা ২৭ থেকে ২৮ ডিগ্রি পর্যন্ত রয়েছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, প্রথমে আরব সাগরে ও পরে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। বঙ্গোপসাগরের ঝড়টি সর্বোচ্চ গভীর নিম্নচাপ পর্যায়ে যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, মৌসুমি বায়ুর প্রবাহ বাংলাদেশের ওপর ৭ জুন থেকে পড়া শুরু করবে। তখন দেশব্যাপী মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা আছে ১০ থেকে ২০ জুন পর্যন্ত।