• বুধবার ২৯ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪৩১

  • || ২০ জ্বিলকদ ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম : রাষ্ট্রপতি রাত ২টা পর্যন্ত নিজেই দুর্যোগ মনিটর করেছেন প্রধানমন্ত্রী রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাবেন শেখ হাসিনা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অগ্রযাত্রায় মার্কিন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ডকুমেন্টারি ‘কলকাতায় মুজিব’ অবলোকন ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল : ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইনে প্রতিদিন ভূমি রাজস্ব আদায় হচ্ছে ৫ কোটি টাকার বেশি

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০২৩  

ভূমি সচিব খলিলুর রহমান বলেছেন, ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশনের কারণে সরকারের রাজস্ব আয় বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন অনলাইনে গড় রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ৫ কোটি টাকার বেশি। সোমবার (২১ আগস্ট) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের করবহির্ভূত রাজস্ব আয়ের নতুন খাতগুলো নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট এক কর্মশালায় তিনি এ তথ্য জানান।

কর্মশালায় ভূমি মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ এবং ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশন ভেন্ডর কোম্পানির কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এ সময় ভূমি সচিব আরও জানান, গত কয়েক বছরে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনে অভূতপূর্ব কিছু মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে। এই অগ্রগতির ফলেই ভূমি রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভূমি খাত থেকে যেন দক্ষভাবে জনস্বার্থে শতভাগ রাজস্ব আদায় হয় তা ভূমি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করবে।

এ সময় সচিব জানান, এই পর্যন্ত ‘স্মার্ট ভূমি উন্নয়ন কর’ সিস্টেম থেকে প্রায় ৫২০ কোটি টাকা, ‘স্মার্ট নামজারি’ সিস্টেম থেকে প্রায় ২৩০ কোটি টাকা এবং ‘স্মার্ট ভূমি রেকর্ডস’ সিস্টেম থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকাসহ মোট প্রায় ৭৭০ কোটি টাকা অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে তাৎক্ষণিকভাবে জমা হয়েছে। প্রতিদিন অনলাইনে গড় রাজস্ব আদায় হচ্ছে ৫ কোটি টাকার বেশি।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা রাজস্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে, যেমন, আইবাস সিস্টেম থেকে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা সরাসরি ভূমি মালিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ, ভূমি ডাটা ব্যাংক-এর মাধ্যমে খাসজমি, অধিগ্রহণ করা জমি এবং সায়রাত মহল সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে যাচাই করার ব্যবস্থা গ্রহণ, খাসজমি অব্যবহৃত  না রেখে তা উৎপাদনশীল কাজে লাগানো, রেজিস্ট্রেশন-মিউটেশন আন্তসংযোগ, ভূমি রেজিস্ট্রেশনের পরে নির্ধারিত ফি প্রদান করে অটোমেটেড সিস্টেমের মাধ্যমে দলিল লেখার কাজ সম্পন্ন করা, জমির শ্রেণিকরণ ও ডাটাবেইজ তৈরি, ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল মনিটরিং নিশ্চিত করা; ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে কিয়স্ক স্থাপন ইত্যাদি। ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এসব উত্থাপিত প্রস্তাবের বেশিরভাগই বাস্তবায়ন করছে।

উল্লেখ্য, ভূমি থেকে পাওয়া রাজস্ব আয়ের প্রচলিত প্রধান উৎসগুলো হচ্ছে ভূমি উন্নয়ন কর, জরিপ ও ভূমি বন্দোবস্ত প্রদান বাবদ আদায়, হাটবাজার, অর্পিত সম্পত্তি, পরিত্যক্ত সম্পত্তি, জলমহাল, পুকুর ও বালুমহাল ইজারা ইত্যাদি।