• রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৪ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:

এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণ কার্যক্রম ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২২  

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল সোমবার (২৮ নভেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া পরীক্ষার্থীরা ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে পারবে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) থেকে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণ কার্যক্রমের এ তথ্য জানান। এতে বলা হয়, টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে আবেদন করা যাবে। ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর দিয়ে রোল নম্বর এবং বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা বোর্ডের কোনও পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর 123456 হলে এবং বাংলা প্রথমপত্রের জন্য আবেদন করতে চাইলে Message অপশনে ঢুকে RSC Dha 123456 101 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। এতে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Yes Pin Contrzvt Number (যে কোনও মোবাইল অপারেটর) লিখে ১৬২২২-তে পাঠাতে হবে।

পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে। সেক্ষেত্রে কমা দিয়ে বিষয় কোডগুলো আলাদা করে লিখতে হবে। যেমন: বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের জন্য মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Dha রোল নম্বর 101, 102, 107, 108 লিখতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা করে ফি দিতে হবে।

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়/বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এই তিন বিষয়ের ক্ষেত্রে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট অংশ নিয়েছে ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৯৮ হাজার ১৯৩ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৯৪৪ জন। অংশ নেওয়া মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৮ লাখ ৭০ হাজার ৪৬ জন এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৩ জন। পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ২১ হাজার ১৫৬ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৬ জন। এবার গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।