• বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা বাংলাদেশ যেন দুর্ভিক্ষের কবলে না পড়ে: প্রধানমন্ত্রী সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী

দেশে প্রথমবারের মতো শিশুকে জিন থেরাপির উদ্যোগ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২২  

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্পাইনাল মাসকিউলার এট্রপিতে আক্রান্ত শিশুর জন্য জিন থেরাপি দিতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল।

আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে এই থেরাপি দেয়া হবে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা: কাজী দীন মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

তিনি জানান, স্পাইনাল মাসকিউলার এট্রফিতে একটি বিরল ও জটিল স্নায়ুতন্ত্রের জন্মগত রোগ যা জেনেটিক কারণে হয়ে থাকে। বিগত শতকে এর কোনো চিকিৎসা ছিল না। যার কারণে সারা পৃথিবীতে অসংখ্য শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এ রোগে আক্রান্ত শিশুরা বসতে বা দাঁড়াতে পারে না। তবে তাদের বুদ্ধিমত্তা ঠিক থাকে। কিন্তু শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন এবং জটিলতার জন্য মৃত্যুবরণ করে।

কাজী দীন মোহাম্মদ জানান, বর্তমানে একটি বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নোভাটিস অনাসেমগে রোগের জন্য সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য জিন থেরাপি আবিষ্কার করেছে- যা ইউএস এফডিএ কর্তৃক স্বীকৃত এবং ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের স্পাইনাল মাসকিউলার এট্রফির চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

চিকিৎসাটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল জানিয়ে অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, এই চিকিৎসা প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয় হয়। তাই আমাদের দেশে এমন রোগী থাকা সত্ত্বেও বিনা চিকিৎসায় অনেক শিশু প্রতি বছর মারা যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, নোভাটিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সহায়তায় একটি প্লোবাল প্রজেক্টের আওতায় এই মূল্যবান ওষুধটি আমাদের দেশের একটি শিশুকে প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আমাদের সম্পূর্ণ সহায়তা করেছে।