• শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • চৈত্র ৩০ ১৪৩০

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা

এই সাত লক্ষণ অবহেলা করলেই সর্বনাশ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি ২০২৩  

জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন না হলে যে কোনও বয়সেই থাবা বসাতে পারে হৃদ্‌রোগ। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে এই বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। কিন্তু অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সময়ের অভাবে অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, বেশি ব্যস্ততা, মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি। এর সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবার, ভাজাভুজি, বাইরের তেল-মশলাদার খাবার বেশি খাওয়ার অভ্যাসেও রাশ টানতে হবে।

যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বা যাদের স্থূলতার সমস্যা রয়েছে, তাদের এমনিতেই হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বেশি। হার্ট অ্যাটাক যে কোনও বয়সে, যে কোনও সময়ে হতে পারে। অনেকে মনে করেন, ছেলেদের হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেশি। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি থাকে। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কোন কোন লক্ষণে ধরা সম্ভব?

১. কয়েক দিন ধরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? তা হলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা থাকতে পারে। শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, দম আটকে আসলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অযথা ফেলে রাখবেন না। হৃদ্‌যন্ত্রের কোনও রকম সমস্যা হল, ফুসফুসও অক্সিজেন কম পায়। তাই এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

২. কোনও কারণ ছাড়াই ঘাম হচ্ছে? একটুতেই হাঁপিয়ে যাচ্ছেন? তা হলেও দুশ্চিন্তার কারণ রয়েছে। শরীরে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক না হলে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিক করে অক্সিজেন পায় না। তাতে হাঁপ ধরতে পারে।

৩. যদি মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখেন দরদর করে ঘামছেন, তা হলে উপেক্ষা করবেন না। এটাও কিন্তু হৃদ্‌রোগের লক্ষণ হতে পারে।

৪. বুকে ব্যথা বা চাপ লাগার মতো অনুভূতি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তা না হলেই ঘটতে পারে মহাবিপদ।

৫. নারীদের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ আলাদা। বুকে ব্যথা, ঘাম হওয়া বা হাঁপ ধরা ছাড়াও পেটে অস্বস্তি, পিঠে ব্যথার মতো কিছু অন্যান্য লক্ষণও দেখা দিতে পারে।

৬. হঠাৎ করে জোরে নাক ডাকতে শুরু করেছেন? রাতে শোয়ার পরই নাক বন্ধ হয়ে আসছে? গলা শুকিয়ে আসছে? এটি কিন্তু স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। শরীরে স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগ বাসা বাঁধলে কিন্তু সতর্ক হতে হবে, এই রোগের হাত ধরে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৭. হৃদ্‌যন্ত্র ঠিক মতো কাজ করতে না পারলে, কিডনির ওপরেও তার প্রভাব পড়ে। ফলে শরীর থেকে জল ও সোডিয়াম ঠিক মতো বেরোতে পারে না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে জল জমতে শুরু করে। ফলে হাত-পায়ের পাতা, গোড়ালি ফুলতে শুরু করে। এই লক্ষণ দেখলেও সতর্ক হতে হবে।