• শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৭ ১৪২৮

  • || ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

ওরাল থ্রাস থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ওরাল থ্রাস হচ্ছে মুখে এক ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ, যা প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের উভয়েরই হয়ে থাকে। এটি হলে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শরীরের পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ফলে ঘটে থাকে এটি।

ওরাল থ্রাস হলে বেশিরভাগ সময়ই ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা করা হয়।  কিন্তু এ সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু নির্দিষ্ট ঘরোয়া প্রতিকারও রয়েছে।  

ওরাল থ্রাস বা মৌখিক ফুসকুড়ি থেকে প্রতিকারে ঘরোয়া কিছু উপায় সম্পর্কে আসুন জেনে নিই—

১. অ্যাপল সিডার ভিনেগার
আপেল সিডার ভিনেগারের অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই প্রতিদিন ব্যবহার করলে এটি ওরাল থ্রাস দ্বারা সৃষ্ট ছত্রাক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

এর জন্য এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে ১ টেবিল চামিচ আপেল সিডার ভিনেগার যোগ করে পান করুন। এর স্বাদ আরও বাড়িয়ে নিতে সামান্য মধু যোগ করতে পারেন। এটি দিনে দুবার করলেই পাবেন উপকার।

২. নারিকেল তেল
নারিকেল তেলে অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি খামির ছত্রাক দূর করতে সহায়তা করে। এ কারণে এটি ওরাল থ্রাস প্রতিকারে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

এ জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নারিকেল তেল মুখে নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। পরে থুতু ফেলে বা কুলি করে ফেলে দিন।  সকালে এটি করলেই ওরাল থ্রাসে উপকার পারেন।

৩. দই
দই আমাদের শরীরের প্রোবায়োটিকের উৎপাদন বাড়ায়। আর এই প্রোবায়োটিকগুলো ছত্রাকের সংক্রমণ দূর করতে পারে। তাই এটিও আপনার ওরাল থ্রাসের সমস্যা দূর করতে অনেক ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।

এর জন্য মুখে এক টেবিল চামিচ পরিমাণ দই নিয়ে গিলে না ফেলে ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এতেই মিলবে উপকার। আর এটি আপনি দিনে তিনবার করতে পারেন।

৪. বেকিং সোডা
বেকিং সোডা বা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট আপনার ওরাল থ্রাসের ছত্রাকগুলোকে মেরে ফেলতে পারে।

এর জন্য এক গ্লাস পরিমাণ পানিতে এক টেবিল চামিচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিয়ে কুলি করুন।  আপনার ওরাল থ্রাস ভালো না হওয়া পর্যন্ত এটি দিনে ২ থেকে ৩ বার করতে পারেন।

৫. রসুন
রসুনে অ্যালিসিন নামের একটি উপাদানের পাশাপাশি শক্তিশালী অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এ কারণে এটি ওরাল থ্রাসের উপসর্গগুলোর চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে।

এর জন্য কাঁচারসুনের একটি কোয়া নিয়ে ২ থেকে ৩ মিনিটের জন্য চিবিয়ে গিলে ফেলুন। এটি দিনে তিনবার করতে পারলেই পাবেন উপকার।

৬. লেবুর রস
লেবু অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট দ্বারা পরিপূর্ণ। তাই এটি ওরাল থ্রাসের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে।

এর জন্য এক গ্লাস পানিতে অর্ধেক লেবু ছেঁকে নিয়ে পান করুন। বাড়তি স্বাদের জন্য মধু যোগ করতে পারেন। এটি দিনে দুই বা তিনবার করলেই পাবেন উপকার।