• শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২২ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

শরীয়তপুরে ভূয়া চিকিৎসককে দেড় বছরের জেল, জরিমানা এক লাখ টাকা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : স্বীকৃত কোনো মেডিকেল কলেজে তিনি পড়াশোনা করেননি। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনও নেই তাঁর। এমবিবিএস চিকিৎসকের ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের ভুয়া পরিচয় দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে একজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বাংলা বাজার এলাকায় মেহেদী ফার্মেসীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়। যাঁকে জরিমানা করা হয়েছে, তাঁর নাম মো. কামরুল আলম।

অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নড়িয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম  ও পুলিশ সদস্যরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ বলেন,  ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কথিত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মো. কামরুল আলম নিজে এমবিবিএস পাস না হয়েও নামের আগে চিকিৎসক এবং শেষে এমবিবিএস ডিগ্রি ব্যবহার করে আসছিলেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা বিষয়ে ডিগ্রি না থাকার পরও নিজেকে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। অভিযানে গিয়ে সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে দেড় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মো. পারভেজ বলেন, এলাকাবাসীর কাছে যত দূর জানা গেছে, কামরুল আলম মূলত আগে একটি ফার্মসীতে চাকরি করতেন। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে অনেক রোগী আরও বেশি অসুস্থ হয়েছে। আবার অনেককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে ।