• বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৬ ১৪৩০

  • || ১৮ শা'বান ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও নজরদারি চাই রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতি বিশ্বের সম্ভাব্য সকল স্থানে রপ্তানি বাজার ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে

শরীয়তপুরে ভূয়া চিকিৎসককে দেড় বছরের জেল, জরিমানা এক লাখ টাকা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : স্বীকৃত কোনো মেডিকেল কলেজে তিনি পড়াশোনা করেননি। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনও নেই তাঁর। এমবিবিএস চিকিৎসকের ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের ভুয়া পরিচয় দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে একজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বাংলা বাজার এলাকায় মেহেদী ফার্মেসীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়। যাঁকে জরিমানা করা হয়েছে, তাঁর নাম মো. কামরুল আলম।

অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নড়িয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম  ও পুলিশ সদস্যরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ বলেন,  ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কথিত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মো. কামরুল আলম নিজে এমবিবিএস পাস না হয়েও নামের আগে চিকিৎসক এবং শেষে এমবিবিএস ডিগ্রি ব্যবহার করে আসছিলেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা বিষয়ে ডিগ্রি না থাকার পরও নিজেকে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। অভিযানে গিয়ে সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে দেড় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মো. পারভেজ বলেন, এলাকাবাসীর কাছে যত দূর জানা গেছে, কামরুল আলম মূলত আগে একটি ফার্মসীতে চাকরি করতেন। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে অনেক রোগী আরও বেশি অসুস্থ হয়েছে। আবার অনেককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে ।