• রোববার ১৬ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪৩১

  • || ০৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা

রাসূলুল্লাহ (সা.) আঙ্গুলের ইশারায় যেভাবে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৩  

পবিত্র কোরআনুল কারিমের সূরা আল কমরে (৫৪ নম্বর সূরা, মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা ৫৫ ও রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৩) বলা হয়েছে, নুহ (আ.) এর সম্প্রদায়, আদ জাতি, লুত (আ.) এর সম্প্রদায় এবং ফেরাউন সত্যের আমন্ত্রণ পেয়েও তা অস্বীকার করেছিল। এর পরিণতিতে তারা চিরতরে হারিয়ে যায়।
সূরা আল কমরের শুরুতেই অলৌকিক ঘটনাটি বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দেখানো নিদর্শন, কাফেরদের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া এবং তাদের পরিণতি সম্পর্কে। অবিশ্বাসীরা নিদর্শন দেখলেও যে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, এটাই তাদের চিরন্তন স্বভাব। আল্লাহ প্রাচীন উদাহরণ দিয়ে টেনে এনেছেন আদ, সামুদ ও ফেরাউনসহ নুহ (আ.) ও লুত (আ.) এর জাতি তা অস্বীকার করার পরিণতির কথা। বিভিন্ন জাতিকে আল্লাহ বিভিন্ন উপায়ে শাস্তি দিয়েছেন। বেশির ভাগই প্রাকৃতিক শক্তি দিয়ে। তাদের পরিণতির বর্ণনা দেওয়ার পরপরই আল্লাহ বারবার বেছেন, ‘আমি এ কোরআনকে উপদেশ লাভের সহজ উৎস বানিয়ে দিয়েছি। এমতাবস্থায় উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি’?

এরপর আল্লাহ আগের জাতিগুলোর সঙ্গে বর্তমানের তুলনা টেনে আখিরাতে এর ভয়ংকর পরিণতির কথা বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর কাছে সবার কর্মকাণ্ডেরই লিপিবদ্ধ আছে, যা সহজভাবে পরিণতি নির্ধারণ করা হবে। বিশ্বাসীদের ভালো পরিণতির কথা দিয়ে সূরার ইতি টানা হয়েছে।

সূরার শুরুতেই আছে মহানবী (সা.) এর আঙুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার বিবরণ। নবীজি (সা.) তখন মক্কার অবিশ্বাসী ও ইহুদিদের একত্ববাদের দাওয়াত দিচ্ছেন। আবু জাহেলের নেতৃত্বে একদল অবিশ্বাসী ও ইহুদিরা এসে জানাল, মুহাম্মদ (সা.) যদি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করে দিতে পারে তাহলে তারা আল্লাহর রাসূল হিসেবে তাকে মেনে নেবে।


জিলহজ মাসের ১৪ তারিখ নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করে আঙুলের ইশারা করলে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। ইহুদিরা ইসলাম গ্রহণ করলেও অবিশ্বাসীরা তার এই মোজেজাকে জাদু বলে আখ্যায়িত করে।

চাঁদ এত স্পষ্টভাবে দুই টুকরা হয়েছিল যে ওই দুই টুকরার ব্যবধানের মধ্য দিয়ে হেরা পর্বত দৃষ্টিগোচর হয়েছিল।

আবু জাহেল বলল, এটা জাদু। তাকে মক্কার বাইরে থাকা লোকেরা এসেও চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার সংবাদ দেয়। তারপরও সে বলে, এটা জাদু।