• বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৬ ১৪৩০

  • || ১৮ শা'বান ১৪৪৫

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও নজরদারি চাই রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতি বিশ্বের সম্ভাব্য সকল স্থানে রপ্তানি বাজার ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে

সাড়ে ৪ মাস পর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সুন্দরবন

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২১  

টানা সাড়ে চার মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সুন্দরবন। দেশে করোনার পরিস্থিতির উন্নতির কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে দেশি-বিদেশি প্রতিবেশ পর্যটকেরা সুন্দরবনের ট্যুরিস্ট স্পট করমজল, কটকা, কচিখালী, হরবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, জামতলা, টাইগার পয়েন্ট, দুবলা ও নীলকমলসহ সমুদ্রতীরবর্তী বনাঞ্চলে যেতে পারবেন। তবে প্রতিটি ট্যুরিস্ট লঞ্চ সর্বোচ্চ ৭৫ জন যাত্রী বহন করতে পারবে। একবারে একজন ট্যুর গাইড ২৫ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনে নামতে পারবেন। ট্যুর অপারেটররা করোনা প্রতিরোধে বন বিভাগের এ নির্দেশনা না মানলে কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। 

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো জানান, ১৯ আগস্ট থেকে দেশের সব পর্যটন স্পট খুলে দেওয়া হলেও তখন দেশি-বিদেশি প্রতিবেশ পর্যটকদের জন্য সুন্দরবন হয়নি। করোনা পরিস্থিতি উন্নতির কারণে বন অধিদফতরের নির্দেশে টানা সাড়ে চার মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন।

স্বাস্থ্যবিধি ও সুন্দরবন ভ্রমণ নীতিমালা মেনেই পর্যটকদের জন্য সুন্দরবন উন্মুক্ত হবে। ট্যুর অপারেটরদের প্রতিটি লঞ্চ বা জাহাজ সর্বোচ্চ ৭৫ জন যাত্রী বহন করতে পারবে। ৭৫ জনের বেশি যাত্রী বহন করলে কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া পর্যটকদের সুন্দরবনের ট্যুরিস্ট স্পট করমজল, কটকা, কচিখালী, হরবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, জামতলা, টাইগার পয়েন্ট, দুবলা ও নীলকমলসহ সমুদ্রতীরবর্তী বনাঞ্চল ভ্রমণসহ নৌযানে থাকাকালে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। প্রতিটি লঞ্চে বা জাহাজে তিনজন করে গাইড রাখতে হবে। একবারে একজন ট্যুর গাইড ২৫ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনে নামতে পারবেন।

তিনি জানান, দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত বছর ২৬ মার্চ থেকে সুন্দরবন ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে ওই বছর ১ নভেম্বর থেকে স্বল্প পরিসরে সুন্দরবন ভ্রমণের সুযোগ দেয় বন বিভাগ। সে সময় প্রতিটি ট্যুরিস্ট লঞ্চ বা জাহাজকে সর্বোচ্চ ৫০ জন যাত্রী বহনের অনুমতি দেওয়া হয়। করোনা সংক্রমণ আবারও বেড়ে গেলে সাড়ে সাত মাস পর চলতি বছর ৩ এপ্রিল সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশে ফের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ফলে গত সাড়ে চার মাস সুন্দরবনে দেশি-বিদেশি প্রতিবেশ পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ থাকে।

সুন্দরবন ট্যুর অপারেটর আবদুল্লাহ বনি বলেন, ‘করোনাকালে আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। আজ থেকে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন চালু হওয়ায় এই সেক্টরের সঙ্গে জড়িতদের নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হলো। বন বিভাগের নীতিমালাসহ করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ট্যুর অপারেট করা হবে।