• রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৪ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
সমৃদ্ধ রাজস্ব ভাণ্ডার গড়ে তোলার ওপর প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার মার্চে কাতার যাবেন প্রধানমন্ত্রী, সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের সম্ভাবনা অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী

হবিগঞ্জে ৭৬৪ কোটি টাকার ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২২  

হবিগঞ্জের ৪টি উপজেলার হাওরে শুরু হয়েছে রোপা আমনের ধান কাটা। জেলার ৯টি উপজেলার হাওর থেকে এবার ৭৬৪ কোটি টাকার ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এবার ধানের বাজার মূল্যও থাকবে কিছুটা বেশি।

রোপা আমন মৌসুমে এবার হবিগঞ্জের ৯টি উপজেলায় ৮০ হাজার ২০০ হেক্টর জমি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। তবে আবাদ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৮৮ হাজার ২৫৮ হেক্টর। ইতোমধ্যেই জেলার মাধবপুর, চুনারুঘাট, নবীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার হাওরে ধান কাটা শুরু হয়েছে। জমি থেকে ধান ঘরে তোলায় দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষক-কৃষাণীরা।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আশেক পারভেজ জানিয়েছেন, রোপা আমন মৌসুমে ৪টি উপজেলার হাওরে চাষ করা আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। যে জমিগুলোয় ব্রি ধান-৯০, ব্রি ধান-৭৫ ও বিনা-৭ রকমের ধান চাষ করা হয়েছিল, সেগুলো এখন কাটা হচ্ছে। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই শুরু হবে হাইব্রিড ধান তোলা। পুরোপুরিভাবে ধান তোলার মহাযজ্ঞ শুরু হবে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে। এবার প্রতি হেক্টর জমি থেকে সোয়া ৩ মেট্রিক টন হিসেবে জেলায় ২ লাখ ৭৮ হাজার ১২ টন ধান তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। মনের হিসাবে মোট ধান উৎপাদন হবে ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ৩১৭ মন।

তিনি আরও জানান, গত বছর সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ১ হাজার ৮০ টাকা মণ দরে ধান কিনছে। এবার যেহেতু খরচ কিছুটা বেড়েছে তাই ১ হাজার ১০০ টাকা মণ ধান কেনার সুপারিশ করা হয়েছে। সে হিসেবে হবিগঞ্জ জেলায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দান উৎপাদন হবে ৭৬৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার।