• শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ১ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

দ্বিতীয় দফায় ‘এসএমই’ ঋণ পাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

করোনাকালের ক্ষতি-কাটিয়ে উঠতে সরকারের প্রণোদনা-প্যাকেজের আওতায় দ্বিতীয় দফায় ঋণ পাচ্ছেন কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। বরাদ্দকৃত অর্থের বাকি ২শ’ কোটি টাকা চলতি সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয়-সপ্তাহ থেকে দেয়া শুরু হবে।

মাত্র ৪ শতাংশ সুদে এসএমই ফাউন্ডেশন বিভিন্ন তফশিলী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ হিসেবে এই ২শ’ কোটি টাকা বিতরণ করবে। এবার ঋণ-বিতরণের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশেরও বেশী নারী-উদ্যোক্তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তারা স্বল্প-সুদে ঋণ নিয়ে যাতে তাদের ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সরকারের দ্বিতীয় দফা প্রণোদনা-প্যাকেজের আওতায় এসএমই ফাউন্ডেশনের অনুকূলে মোট ৩শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ‘সিএমএসএমই-খাতে’ সরকারের ২য়-দফায় অর্থ-বরাদ্দের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং পল্লী এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’।
 
এসএমই ফাউন্ডেশনের অনুকুলে বরাদ্দকৃত অর্থের এক-তৃতীয়াংশ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪ শতাংশ হারে-সুদে গত অর্থ-বছরেই (২০২০-’২১) সফলভাবে বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল এক শ’ কোটি টাকা।

এসএমই ফাউন্ডেশনকে ‘সিএমএসএমই-খাতে’ ঋণ-বিতরণের  লক্ষ্যে গত অর্থ-বছরেই ১১টি ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক  প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করতে হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৩টায় সারাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা চেম্বার, অ্যাসোসিয়েশন এবং নারী-উদ্যোক্তা-সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে জুমপ্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদের সদস্য মির্জা নুরুল গণি শোভন, প্রাক্তন সদস্য রাশেদুল করীম মুন্না এবং বিভিন্ন ট্রেডবডি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ প্রায় ৯০ জন উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন।  

ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক ফারজানা খানের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তৃতায় ড. মোঃ মফিজুর রহমান জনান, ঋণ কার্যক্রমের জন্যই এবারও বিভিন্ন ব্যাংক এবং নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করা হবে। চুক্তি স্বাক্ষর শেষে চলতি সেপ্টেম্বও মাসের তৃতীয়-সপ্তাহে ঋণ বিতরণ শুরু করা হতে পারে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রণোদণা-প্যাকেজের আওতায় ঋণ-হিসেবে বাকী ২শ’ কোটি টাকা বিতরণ সম্পন্ন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রান্তিক পর্যায়ে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ-সংখ্যক উদ্যোক্তাকে ঋণের আওতায় আনার লক্ষ্যে এবার ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ৭৫ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।