• শনিবার   ০১ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৬ ১৪২৯

  • || ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা

এমাসেই চালু হচ্ছে রামগড় স্থলবন্দর

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২  

এমাসেই চালু হচ্ছে খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর। অস্থায়ী যাত্রী ছাউনী নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। স্থলবন্দর চালুর অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ৯ মার্চ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১।

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রামগড় ও ভারতের ত্রিপুরার সাব্রুম দিয়ে স্থলবন্দর চালুর অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ৯ মার্চ উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বন্দরটির কাজ এগিয়ে চলছে। তবে সীমান্তের শূন্যরেখার দেড়শ’ গজের মধ্যে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না থাকায় বিএসএফ কাজ বন্ধ রাখে। ফলে ১০ একর জায়গার ওপর আইসিপি, কাস্টমস, পোর্ট বিল্ডিং, ওয়্যার হাউজ, ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল।

তবে দেড়শ’ গজের বাইরে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে স্থলবন্দরটি চালুর তোড়জোড় চলছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্পের আওতায় প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল নির্মাণ কাজও এগিয়ে চলছে।

রামগড় পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম কামাল বলেন, “সীমান্ত জটিলতার কারণে কাজটি আপাতত বন্ধ আছে কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় যাচ্ছে সেপ্টেম্বরের ভেতরে অস্থায়ীভাবে সেড নির্মাণ করে হলেও বন্দরটি চালু হোক।”

বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, “বর্তমানে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের কাজ চলমান। খুব শীঘ্রই কাজ শেষ করে দুই দেশের যাত্রী চলাচলে সুবিধা করা হবে।”

প্রকল্পের মেয়াদ গেল জুনে শেষ হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় বিশ্বব্যাংকের বাধ্যবাধকতায় চলতি সেপ্টেম্বরেই স্থলবন্দরটি চালু করার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন নৌ-সচিব।

নৌ-পরিবহন সচিব মোস্তফা কামাল বলেন, “আগামী ৭ দিনের মধ্যে এটা রেডি হয়ে যাচ্ছে। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের পক্ষ থেকে যখনই তারা এই অফিসে বসে যাবেন তখনই শুরু হবে দুই দেশের যাতায়াত।”

গুরুত্বপূর্ণ রামগড় স্থলবন্দরটি চালুর মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।