• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১২ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

রাশিয়ার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণে সম্মত জি-৭ ও ইইউ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর ২০২২  

রাশিয়ার জ্বালানি তেলের দামের সীমা নির্ধারণে সম্মত হয়েছে  জি-৭ গ্রুপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্যারেল প্রতি সর্বোচ্চ ৬০ ডলার বেধে দেওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছে তারা। যুদ্ধের অর্থের যোগান বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শুক্রবার বৈঠকে বসে জি-৭ ও ইইউ।

তেলের দামের এ সীমা সোমবার থেকে রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ওপর ইইউ’র নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে কার্যকর হবে।

এর আগে বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন জি-৭ গ্রুপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হয়।

এমন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইইউ’তে ট্যাঙ্কার জাহাজের মাধ্যমে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের চালান ঠেকাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো রাশিয়ার জ্বালানি তেলের দুই-তৃতীয়াংশ আমদানি করে থাকে। এতে রাশিয়া মোটামুটিভাবে কয়েক বিলিয়ন ইউরো থেকে বঞ্চিত হবে।

জি-৭ গ্রুপের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জি-৭ ও অস্ট্রেলিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সমুদ্রজাত রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের দামের সীমা সর্বোচ্চ ৬০ ডলার নির্ধারণের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

জি-৭ আরও জানায়, তারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসনমূলক যুদ্ধ থেকে দেশটিকে লাভবান হওয়া থেকে বিরত রাখতে, বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে এবং রাশিয়ার এমন যুদ্ধের নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রসারকে হ্রাস করার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে।

হোয়াইট হাউস এ চুক্তিকে ‘স্বাগত সংবাদ’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, রাশিয়ার তেলের দামের এমন সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ ক্রেমলিনের যুদ্ধে অর্থায়নে পুতিনের ক্ষমতাকে সীমিত করতে সহায়তা করবে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের অবকাঠামোর ওপর আরও হামলা ‘অনিবার্য’।