• মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৮

  • || ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

শরীয়তপুর বার্তা

ডামুড্যায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ শুরু

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২১  

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

ডামুড্যা পৌর শহরের ৪নং দক্ষিণ ডামুড্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডামুড্যা উপজেরা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডাঃ শেখ মোহাম্মদ মোস্তফা, প্রধান হিসাব রক্ষক বাবুল আকতার, উপজেলা ইপিআই মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট মোঃ মিজানুর রহমান,স্বাস্থ্য পরিদৃশক মোঃ নাসির উদ্দিন,শিক্ষা কর্মকর্তা বৃন্দ,স্থানীয় কমিশনার ও অন্যান্য কর্মচারী বৃন্দ। 

প্রধান অতিথি উপজেরা চেযারম্যান মোঃ আলমগীর হোনের মাঝি বলেন,প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ শনিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে আগামী শুক্রবার (৫ নভেম্বর) পর্যন্ত একযোগে পালিত হবে ২৫তম জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম। দেশের প্রাথমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী সব শিশুকে এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী সব শিশুকে ১ ডোজ কৃমিনাশক ওষুধ ( মেবেন্ডাজল ৫০০ মিগ্রা) ভরাপেটে সেবন করানো হবে।

সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডাঃ শেখ মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার একটি অংশ হচ্ছে ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল, কৃমি নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষুদে চিকিৎসক কার্যক্রম। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশ থেকে কৃমি নির্মূলের লক্ষ্যে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

লক্ষ্য হচ্ছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সবধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী সব (স্কুলগামী, স্কুল বহির্ভূত, স্কুল থেকে ঝরে পড়া, পথ শিশু, কর্মজীবী শিশু) শিশুকে এক ডোজ কৃমিনাশক ওষুধ বিনামূল্যে সেবন করানো হবে। একইসঙ্গে কৃমির পুনঃসংক্রমণ রোধ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। এসব শিশুদের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহারে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়ার ফলে তা অভ্যাসে পরিণত হবে এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যার ব্যাপারে সচেতন হবে, যা থেকে ভবিষ্যতে শিশুরা কৃমিসহ অন্যান্য পরজীবী বাহিত রোগব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাবে।
২০০৮ সালের নভেম্বর থেকে চালু হওয়া কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সাফল্য হিসেবে বক্তারা জানান, সারা দেশের প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (সরকারি, বেসরকারি, ফরমাল, নন-ফরমাল স্কুল, মাদরাসা, মক্তব) এবং প্রায় ৩৩ হাজার মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, মাদরাসা এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত।