• শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২২ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

শরীয়তপুরে কয়লা তৈরির কারখানায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২২  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের মধ্যে মাছুয়াখালী এলাকায় রবিবার (২৮- আগস্ট) দুপুরে কয়লা তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় প্রভাবশালীরা উপজেলার মধ্যে মাছুয়াখালী এলাকায় কয়লা তৈরির কারখানায় কয়লা তৈরি করে পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে আসছিল। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার কোনো বিধান বন আইনে নেই। এটা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে দুপুরে কয়লা তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় কয়লা তৈরির কারখানাগুলো ফায়ারসার্ভিসের সহযোগিতায় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। ভেঙে দেয়া কয়লা তৈরির কারখানা থেকে কাঠ ও ইটসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা মালামালগুলো নিলামে বিক্রি করা হবে।

অর্থদন্ডকৃত হলেন একই এলাকার মাছুয়াখালীর মো. আলাউদ্দিন (৪০), মো. নাসির হাওলাদার (২৮), মো. রাসেল হোসেন (২৮) কে বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্ষণ আইন, ১৯৯৫ ( সংশোধিত -২০১০) এর ১৫ (১) ধারায় প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ১মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে৷

আদালত পরিচালনার সময় ৬টি চুলা ধ্বংস করা হয়৷ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাফী বিন কবির, উপজেলা সহকারী  (ভূমি) সুজন দাশ গুপ্ত, পরিবেশ অধিদপ্তর শরীয়তপুরের সহকারী পরিচালক মোঃ রাসেল নোমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কয়লা তৈরির কারখানাগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে আসছিল। ওই দিন ওই কারখানাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জব্দ করা মালামালগুলো নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা করা হবে।