• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুর বার্তা
ব্রেকিং:
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হলো: প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালে বিদেশে গেছেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মী: প্রধানমন্ত্রী পাতাল রেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনে আলোচনা চলছে

আকাশে দেখা মিললো বিরল ‘ইউএফও’ মেঘ

শরীয়তপুর বার্তা

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি ২০২৩  

আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট বা ‘ইউএফও’ নিয়ে মাঝে মধ্যেই আলোচনার সৃষ্টি হয়। নানা অজানা তথ্য বেরিয়ে আসে। এসব নিয়ে বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও উচ্ছ্বসিত হয়ে থাকেন। সম্প্রতি তেমনই এক খবর বেরিয়েছে। তুরস্কের আকাশেই নাকি দেখা গেছে বিরল ‘ইউএফও’ মেঘ।
বৃহস্পতিবার সকালে তুরস্কের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বুরসা থেকে অদ্ভুত রঙিন মেঘের দেখা মেলে। যা তৈরি করেছিল দৃষ্টিবিভ্রম, অনেকের কাছেই এটা লাগছিল ইউএফওর (আনআইডেন্টিফাইড ফ্লায়িং অবজেক্ট) মতো।

ছবিতে প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এ আবার কি? রং তুলির রঙিন আঁচড়ও মনে হতে পারে। লাল-কমলা-হলুদ রঙ মেশানো অদ্ভূত এ দৃশ্য ভাবনায় ফেলবে যে কাউকে। পরাবাস্তবও মনে হতে পারে অনেকের কাছে। এমনই একটি অদ্ভূত দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গার্ডিয়ান জানিয়েছে, লেন্টিকুলার মেঘ নামে পরিচিত প্রায় বৃত্তকার মেঘের ঢেউয়ের মতো এ গঠনটি সূর্যোদয়ের সময় দেখা যেতে থাকে. আর প্রায় এক ঘণ্টার মতো আকাশে ছিল, এর মাঝখানে বড় একটি গর্তও ছিল।

অদ্ভুত রঙিন মেঘের ভিডিও এবং ছবি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে। শত শত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী বলেছেন যে মেঘটি দেখতে ইউএফওর মতো। তবে তুরস্কের স্টেট মেটিওরোলজিক্যাল সার্ভিস বলছে, বিরল ঘটনাটি কেবল একটি ‘লেন্টিকুলার ক্লাউড’। এ ধরনের মেঘগুলো তাদের বাঁকা ও ফানেল আকৃতির চেহারার জন্য পরিচিত।

এ ধরনের মেঘ সাধারণত ২০০০ থেকে ৫০০০ মিটারের মধ্যে উচ্চতায় পাওয়া যায়। লেন্টিকুলার মেঘ তৈরি হয় যখন বায়ুমণ্ডলের স্তরটি স্যাচুরেশনের ঠিক ওপরে থাকে, যার অর্থ তারা পাহাড় এবং পর্বতের ওপর প্রবল বাতাসের ওঠানামার ফলে তৈরি হয় যখন বাতাস স্থিতিশীল এবং আর্দ্র থাকে। তারা প্রায়শই শীতকালে গঠন করে, তবে বছরের অন্য সময়ে তাদের দেখা সম্ভব।

দেশটির আবহাওয়া দফতর স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ঘন মেঘের ওপর সূর্যরশ্মি পড়ায় এমন লাল-কমলা-হলুদ রঙ ধারণ করে মেঘ। এটি লেন্স মেঘের একটি উদাহরণ যা সাধারণত পাহাড়ের ওপর প্রবল বাতাসের ওঠানামার কারণে তৈরি হয় বলেও জানানো হয়। রঙিন মেঘের এ বলয়ের স্থায়িত্ব ছিল অন্তত একঘণ্টা।